আমাকে চেনে কিনা প্রশ্ন করলেই ফাঁষি

:: ঝিনাইদহ জেলার একটি মামলায় সাক্ষী হিসাবে মুকুল খালার ডাক পড়েছে।

বাদীপক্ষের উকিল বিজন মজুমদার মুকুল খালাকে কে ঘাবড়ে দেবার জন্য প্রথমেই জিজ্ঞাসা করলেন – “আপনি আমায় চেনেন?

মুকুল খালার উত্তর- “ওমা চিনব না কেন? তুমি বিজন। তোমায় ল্যাংটা বয়স থেকেই চিনি। পুরো বখে যাওয়া ছেলে ছিলে। মিথ্যা কথা বলতে। লোক ঠকানোয় ওস্তাদ ছিলে। আরো অনেক গুন তোমার ছিল সে সব আর বলছি না। নিজেকে মস্ত কেউকেটা ভাবতে যদিও কানাকড়ির মুরোদ ছিল না।তোমাকে আমি ভালই চিনি”।

বিজন বাবু স্তম্ভিত হয়ে গেলেন। ভেবে পাচ্ছিলেন না কি করবেন।কোর্ট ঘরের অপর প্রান্তে বিবাদী পক্ষের উকিল হারুন খান এর দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে বললেন – “ওনাকে চেনেন?

মুকুল খালার উত্তর- “ওমা চিনব না কেন? ওতো হারুন। খুব ভাল করেই চিনি। অলস অকর্মণ্য। কারো সাথে সদ্ভাব ছিল না। পাঁড় মাতাল। শহরের সবচেয়ে পিশাচ উকিল। বৌয়ের চোখে ধুলো দিয়ে তিনটে ছুঁড়ির সাথে ফষ্টিনষ্টি করে। তার মধ্যে একজন তোমার বৌ। ওকে ছোট থেকেই চিনি” ।

বিবাদী পক্ষের উকিল অসুস্থ বোধ করতে লাগলেন।

এমন সময় জজ সাহেব দুই উকিলকে কাছে ডাকলেন। উকিলদ্বয় কাছে যাবার পর নিচু গলায় শান্তস্বরে জজ সাহেব বললেন

“ দুই গর্দভের একজনও যদি ওই মহিলাকে প্রশ্ন করো যে আমায় চেনে কিনা তাহলে তোমাদের আমি ফাঁসি কাঠে চড়াব”।

Collected

স্যার বললো ‘তেমন কিছু না-আমি একটু উত্তেজিত ছিলাম’

:: মাদ্রাসার ছাত্রদের নিয়ে সবসময় কটুক্তি করা মেজবাহ কামাল কে নিয়ে তার ছাত্রের একটা লেখা নিচে দেয়া হলো।
“মেজবাহ কামাল স্যার তেমন একটা ক্লাসে উপস্থিত থাকেন না, নানা এনজিও কার্যক্রম-নানা জায়গায় খ্যাপ মারা এসেবই ব্যস্ত থাকেন। তারপরও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নিয়া চিন্তিত এটা আমার ভাল লেগেছে। এক দিকে তিনি যেমন ক্লাস নেন না, অন্যদিকে যৌন কেলেংকারীতেও তিনি জড়িত। একদিন আমার সামনেই তার রুম থেকে এক ছাত্রী কাদতে কাদতে বের হয়ে দৌড়াচ্ছিল আর স্যার পেছনে পেছনে দৌড়াচ্ছিল, আমিও তাদের পেছনে দৌড়ানো শুরু করলাম-আমার পেছনে আরো কয়েকজন দৌড়ানো শুরু করলো, আমরা স্যারকে থামালাম-জানতে চাইলাম কি হইছে? স্যার বললো ‘তেমন কিছু না-আমি একটু উত্তেজিত ছিলাম’। এই ঘটনাটি সে সময়ের সকল জাতীয় পত্রিকায় এসেছিল।”

সূত্র : জান্নাতুল ফেরদৌসের ফেসবুক ।

চলছে তুমুল ধরপাকড়

:: প্রিজন ভ্যানে হামলা চালিয়ে আটক কর্মী ছিনতাই এবং পুলিশের ওপর হামলার পর বিএনপি নেতাকর্মীদের ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর হাইকোর্টের সামনে ওই ঘটনার পর পুলিশ রাজধানীতে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি অভিযান চালায়। ওইদিন রাতেই পুলিশ দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে গ্রেফতার করে। এর আগের দিন অন্তত ৭০ জনকে আটক করে পুলিশ। গতকাল সন্ধ্যায় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজিজুল বারী হেলালকে গ্রেফতার করা হয়। এ ছাড়া বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের অন্তত ১০ নেতার বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এ পরিস্থিতিতে বিএনপির ভেতর গ্রেফতার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দলের অধিকাংশ নেতাকর্মী আত্মগোপনে চলে গেছেন। অনেকে মোবাইল ফোন বন্ধ করে বিকল্প মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বুধবার আজিজুল বারী হেলাল ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবারের ঘটনায় একাধিক কেন্দ্রীয় নেতাসহ তিন শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়েরের পর বেশিরভাগ নেতাকর্মী আত্মগোপনে রয়েছেন। গতকাল বুধবারও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার বকশীবাজারের আদালতে হাজিরা দিতে যান। অন্যান্য সময়ে বিএনপি চেয়ারপারসন আদালতে হাজিরা দিতে যাতায়াতের সময় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলেও গতকাল তেমনটা ছিল না।
বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, মামলা আতঙ্ক ও পুলিশের কড়াকড়ির কারণে অনেক কর্মীই গতকাল বহরে যোগ দিতে পারেননি। নেতাকর্মীরা আগে থেকেই হাইকোর্ট এলাকায় অবস্থান নিলেও পুলিশ হাইকোর্টের পুরো গেট বন্ধ রাখায় কেউ বের হতে পারেননি।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, নাশকতায় যারাই জড়িত থাক, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। মঙ্গলবারের নাশকতায় জড়িত আসামিদের ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্র বিশ্নেষণ করে চিহ্নিত করা হবে। চিহ্নিত অনেককে গ্রেফতারে অভিযানও চলছে। গতকাল রাতেও বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, কোনো অবস্থাতেই ২০১৪-১৫ সালের মতো নৈরাজ্য বরদাশত করা হবে না। দেশের কোনো নাগরিক আইনের ঊর্ধ্বে নন। কেউ আইন ভাঙার চেষ্টা করলে কঠোর হাতে দমন করা হবে।
পুলিশ জানায়, প্রিজন ভ্যানে হামলা চালিয়ে ‘আসামি’ ছিনতাই, পুলিশের ওপর হামলা, ভাংচুর ও অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ও পুলিশ সদস্যদের হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর শাহবাগ ও রমনা থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাইফুল ইসলাম নিরব, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন, বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকনসহ তিন শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় এসব নেতাকে হামলার নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে গতকাল রমনা থানার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তবে সহসাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। ওই তিনটি মামলার মধ্যে শাহবাগের দুই মামলায় ১৮ জন এবং রমনা থানার মামলায় ৩৫ জনকে দু’দিন করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এ ছাড়া আগের দিন র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার ছাত্রদলের সাবেক নেতা আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনকেও রমনা থানার একটি মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
শাহবাগ থানার দুই মামলার মধ্যে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় ৮৭ জন ও অন্য মামলায় ৮৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে দুই মামলায় একই ব্যক্তি আসামি রয়েছে। রমনা থানার মামলায় ১৪২ জন আসামির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এসব আসামি ছাড়াও বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নির্দেশে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে হাইকোর্টের সামনে প্রিজন ভ্যান ভেঙে আটক দুই কর্মীকে ছিনতাই, হামলা, পুলিশের অস্ত্র ভাংচুরের ঘটনায় শাহবাগ থানায় ওই রাতেই পুলিশ দুটি মামলা করে। পরীবাগ এলাকায় গাড়ি ভাংচুর, মানুষের টাকা, মানিব্যাগ ছিনতাই ও ত্রাসের ঘটনায় একই রাতে রমনা থানায় একটি মামলা করে পুলিশ।
শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু জাফর সমকালকে বলেন, দুই মামলায় এজাহারভুক্ত ৭৫ জন করে আসামি রয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয়ের আরও আসামি রয়েছে। এসব আসামির মধ্যে গতকাল পর্যন্ত গ্রেফতার ১৮ জনকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলী হোসেন জানান, মঙ্গলবারের ঘটনায় গ্রেফতার ৩৬ জনকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে অন্য আসামিদের নাম পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানায়, ওইদিন পূর্বপরিকল্পিতভাবে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাংচুর ও ত্রাস সৃষ্টি করা হয়। এসব ঘটনায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশনা ছিল। তদন্ত করে ওইসব নেতাকে শনাক্ত করার কাজ চলছে। পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি মারুফ হোসেন সরদার সমকালকে বলেন, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্র বিশ্নেষণ করে আসামিদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন আদালতে হাজিরা দিতে যাতায়াতের সময় পুলিশ যতদূর সম্ভব ধৈর্যশীল থাকে। দুর্ভোগ ও ভোগান্তি কমাতে কাজ করে। বিএনপি কর্মীদের কোনো আক্রমণ ছাড়া সাধারণত ওই সময় পুলিশ অ্যাকশনেও যায় না। মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে অতর্কিতভাবে প্রিজন ভ্যানে হামলা চালানো হয়। পুলিশ সদস্যদের মারধর করে রাইফেল ছিনিয়ে নিয়ে তা ভেঙে ফেলে। পুলিশের ব্যাপক প্রস্তুতি থাকলেও এমন পরিস্থিতির জন্য তারা প্রস্তুত ছিলেন না। এরপরও সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে পুলিশ ধৈর্যের পরিচয় দেয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানা পুলিশের সূত্র জানায়, তাদের কাছে নির্দেশনা রয়েছে, যে কোনো মূল্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে। চিহ্নিত নাশকতাকারীরা কে কোথায় তাও নজরদারি করতে হবে। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন নাশকতা মামলার পুরনো আসামিদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তা ছাড়া আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সতর্ক থাকবে।
এদিকে মঙ্গলবারের নাশকতার ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হামলায় অংশ নেওয়া লোকজন অনুপ্রবেশকারী। গতকাল এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেন, ‘বলা হচ্ছে, পুলিশের ভ্যান থেকে দুইজনকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। কারা এ হামলা চালিয়েছে তাদের আমরা চিনতে পারছি না। আমরা আশঙ্কা করছি, তারা অনুপ্রবেশকারী। তাদের সম্পর্কে কোনো কিছু জানি না। ধারণা করছি, নাশকতা করার জন্য তারা এটা করেছে।’
বুধবার গ্রেফতার শতাধিক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গতকাল আদালতে যাতায়াতের পথে শতাধিক নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে দাবি করেছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সন্ধ্যায় এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি নেতারা বলেছেন, রাতেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালিয়েছে।
তিন মামলায় আরও আসামি যারা :বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ক্যাপ্টেন সৈয়দ সুজার উদ্দিন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির, মহিলা দলের সেক্রেটারি সুলতানা আহম্মেদ, বিএনপি নেতা খায়রুল কবির খোকনের স্ত্রী শিরিন সুলতানা, হেলেন জেরিন এবং শ্যামা ওবায়েদ। এ ছাড়া বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের ঢাকা মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড নেতাদের আসামি করা হয়েছে।
উৎসঃ সমকাল

বিএনপি নেতাদের ছিনিয়ে নিতে এসেও সেলফি!

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরাকে কেন্দ্র করে নেতাদের ছাড়িয়ে নিতে পুলিশের ওপর বিএনপির কর্মীদের হামলা ও প্রিজনভ্যান ভাঙচুরের ঘটনায় রমনা ও শাহবাগ থানায় ইতিমধ্যেই তিনটি মামলা হয়েছে। দায়ের করা এসব মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও সাত থেকে আটশ’ বিএনপি নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, গতকালের ওই ঘটনার পর বেশ কয়েকটি ছবি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বিশেষ করে বিএনপি নেতাদের ছিনিয়ে নেওয়ার সময়ও বেশ কয়েকজন সেলফিতে মজেছিলেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে একদিকে গাড়ি থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে নেতাদের, অন্যদিকে সেলফিতে মশগুল কেউ কেউ। ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়ে পড়েছে একটি ছবিটি। শেয়ারের পাশাপাশি নিত্য নতুন মন্তব্যের সাথে বেগবান হচ্ছে সেটি

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবি রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের

প্রস্তাবিত জিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ)। এতে বলা হয়েছে, ওই আইনটি স্বাধীন মত ও তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে বড় ধরনের হুমকি। এসব ক্ষেত্রে যেসব বিধান রয়েছে তা ওই আইন থেকে সরিয়ে ফেলতে আহ্বান জানানো হয়েছে। নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেছে আরএসএফ। এতে বলা হয়, বহুল সমালোচিত ২০০৬ সালের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন (আইসিটি)-এর স্থানে আসছে নতুন এই আইনটি। এতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার আইসিটি আইনের সবচেয়ে বড় বড় ত্রুটির প্রতিকার করার সুযোগ হাতছাড়া করেছে।

এর মধ্যে রয়েছে ৫৭ ধারা। এর অধীনে অনলাইনের রিপোর্ট বা লেখালেখিকে মানহানিকর অথবা ধর্মীয় অবমাননার আওতায় আনা হয়েছে। বিবৃতিতে আরএসএফ আরো লিখেছে, শুধু ২০১৭ সালেই ৫৭ ধারার অধীনে কমপক্ষে ২৫ জন সাংবাদিক ও কয়েক শত ব্লগার ও ফেসবুক ব্যবহারকারীকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। তাই এটাকে ঢেলে সাজানোর প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এই ধারার অনেকটাই প্রস্তাবিত নতুন আইনের বিভিন্ন ধারায় নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। তার অধীনে ১৪ বছর পর্যন্ত জেলের বিধান রয়েছে। আরএসএফের এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান ডানিয়েল বাস্টারড বলেছেন, প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সন্তোষজনক নয়। বিশেষ করে তা বেশ কিছু পয়েন্টের কারণে। এমনকি এই আইনটি আগের আইনের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর। তাই সাংবাদিকদের বা ব্লগারদের কণ্ঠরোধের জন্য যেসব ধারা বা বিধান ব্যবহার হতে পারে তার সবটাই প্রত্যাহার করতে হবে। এতে যে অস্পষ্টতা রয়েছে তার অধীনে আগের মতো একইভাবে এর অপব্যবহার অনুমোদন করা হবে। এতে তারাই সুবিধা পাবে, যারা চায় না সংবাদ ও তথ্যের অবাধ ও নিরপেক্ষতা। প্রয়োজনীয় সংশোধনীগুলোর একটি হতে পারে এমন একটি আর্টিকেল যোগ করা, যার অধীনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো মানহানী বা ধর্ম অবমাননার প্রক্রিয়া শুরু করার আগে অভিযোগ পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করবেন।
এতে আরো বলা হয়, গত জুলাইয়ে যদিও আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশের সম্পাদক পরিষদ, তথাপিও এর অনেকটাই প্রস্তাবিত নতুন আইনের ১৯ নম্বর ধারায় যুক্ত করা হয়েছে। এর অধীনে কোনো রিপোর্ট বা লেখা যদি মানুষের মনকে বিষিয়ে তোলে, কারো অবমাননা করা হয় ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া হয়, তাহলে এর জন্য এ আইনে দু’বছরের জেলের বিধান রয়েছে। কোনো লেখা যদি জনশৃংখলা বিনষ্টের জন্য দায়ী বলে বিবেচিত হয়, তাহলে আর্টিকেল ২০ এর অধীনে শাস্তি হিসেবে সাত বছরের জেল হতে পারে। অন্যদিকে স্বাধীনতা যুদ্ধ অথবা জাতির পিতার বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক প্রচারণা ছড়িয়ে দেয়ার শাস্তি হতে পারে ১৪ বছরের জেল অথবা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দন্ড। এসব দন্ডের কথা বলা হয়েছে নতুন বিধানে।
নতুন আইনের ৩২ ধারার অধীনে গুপ্তচরবৃত্তি যেভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে তার মধ্যে থাকবে সরকার, আধা সরকারি অথবা শায়ত্তশাসিত কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো তথ্য গোপনে রেকর্ড করা। এবং এ অপরাধের জন্য ১৪ বছরের জেল অথবা ২০ লাখ টাকা জরিমানা, বা উভয় দন্ডের কথা বলা হয়েছে

ইমরুলকে ফেরত পাঠিয়ে লাঞ্চে শ্রীলঙ্কা

যে কোনো ফরম্যাটেই তামিমের সঙ্গে অনেকদিন পর দেখা গেল ইমরুল কায়েসকে। দুজনে মিলে চমৎকার সূচনা এনে দেন দলকে। দ্রুতগতিতে হাফ সেঞ্চুরি তোলার পর তামিমের বিদায়ে ভাঙে ৭২ রানের ওপেনিং জুটি। তামিমের অভাব বুঝতে দেননি ইমরুল-মুমিনুল। কিন্তু লাঞ্চ ঘোষণার ঠিক আগের বলটিতে লক্ষণ সান্দাকানের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান ইমরুল (৪০)। ভাঙে মুমিনুলের সঙ্গে ৪৮ রানের জুটি। লাঞ্চের আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১২০ রান।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশকে স্বপ্নের মত শুরু এনে দেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল এবং ইমরুল কায়েস। অনেক দিন পর ইমরুলক পার্টনার হিসেবে পেয়ে জমিয়ে ফেলেছিলেন তামিম ইকবাল। কিন্তু ৪৬ বলে ৬ চার ১ ছক্কায় ক্যারিয়ারের ২৫তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পর দিলরুয়ান পেরেরার বলে বোল্ড হয়ে গেছেন ৫২ রানে। ৭২ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন ইমরুল ও মুমিনুল।

চট্টগ্রাম টেস্টে অভিষেক হয়েছে বাঁহাতি স্পিনার সানজামুর ইসলামের। দীর্ঘ ৪ বছর পর জাতীয় দলে ডাক পেয়েও একাদশে স্থান পাননি অভিজ্ঞ স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক। চোখের সমস্যার কারণে দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা তরুণ অল-রাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও আজ একাদশে এসেছেন।

মৃত্যুর খবর জানিয়ে দেবে সফটওয়্যার!

হার্টঅ্যাটাক বা ফুসফুসের আক্রমণের অন্তত ছয় ঘণ্টা আগে সফটওয়্যারের অ্যালগোরিদম ব্যবস্থা সংকেত দিতে পারবে। জানিয়ে দিতে পারবে মৃত্যুর খবর।

এ সময় চাইলে আপনি চিকিৎসককে ডেকে বাঁচার শেষ চেষ্টা করতে পারেন। এটি কল্পকাহিনীর মতো শোনালেও এখন সেটি সম্ভব হতে চলেছে।
এই সফটওয়্যারটি তৈরি করেছে এক্সেল মেডিকেল সার্ভিসের মহাব্যবস্থাপক ল্যান্স বার্টনের কোম্পানি। সফটওয়্যারের অ্যালগোরিদম ব্যবস্থার নামকরণ করা হয়েছে ভিসেনশিয়া সেফটি ইনডেক্স। খবর বিবিসির।

কোম্পানির মহাপরিচালক বলেন, এটি আসলে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম, যা একজন রোগীর শারীরিক লক্ষণ যাচাই-বাছাই করে হার্টঅ্যাটাকের শিকার হওয়ার অন্তত ৬ ঘণ্টা আগে সংকেত দিতে পারে। ফলে চিকিৎসক এবং সেবিকারা দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন দফতর এ রকম একটি সফটওয়্যারের অনুমোদন দিয়েছে, যেটি হৃৎপিণ্ড বা ফুসফুস হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া সম্পর্কে আগাম সতর্কবার্তা দিতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি হাসপাতাল এ ব্যবস্থা চালু করেছে।

এক্সেল মেডিকেল সার্ভিসের মহাব্যবস্থাপক ল্যান্স বার্টন বলেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগগুলো এখন একটি বড় সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। মানুষ আগের চেয়ে বেশি দিন বাঁচেন, কিন্তু তারা এখন অনেক দীর্ঘমেয়াদি রোগেও আক্রান্ত হচ্ছেন।

রোগীদের নজরদারিতে রাখা হলেও চিকিৎসক বা সেবিকারা তখনই সেবা দিতে পারেন, যখন কেউ ভয়াবহ কোনো ঘটনার শিকার হন। আগে তাদের সেটি বুঝতে পারা সম্ভব নয়। তাই এ সফটওয়্যারটি তৈরি করা হয়েছে।

নির্মাতারা বলেন, এটি ব্যবহারের জন্য আলাদা বিশেষ কোনো যন্ত্রপাতির দরকার হবে না। হাসপাতালে এখন যে নজরদারি ব্যবস্থাগুলো চালু রয়েছে, সেগুলো ব্যবহার করেই নতুন এ প্রযুক্তি কাজ করবে।

বাস্তবতা হল- অনেক হাসপাতালেই রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসক বা কর্মী থাকে না। এমনকি একজন রোগীর সব তথ্য যাচাই-বাছাই করাও হয়তো তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না।

আর এ সমস্যারই সমাধান দেবে ওয়েভ ক্লিনিক্যাল প্লাটফর্ম নামে এ সফটওয়্যার। সেটি রোগীর বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাই এবং শারীরিক অবস্থা, ধরন পর্যালোচনা করবে, যা হয়তো মানুষের সাধারণ চোখে ধরা পড়ে না।

জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা অনুযায়ী, চিকিৎসার ভুলের কারণে যুক্তরাষ্ট্রই অন্তত ১০ শতাংশ রোগীর মৃত্যু হয়, যা দেশটির মানুষের মৃত্যুর তৃতীয় বড় কারণ। এখন ওয়েব সফটওয়্যার নির্মাতারা আশা করছেন, এর মাধ্যমে বছরে এ ধরনের অন্তত আড়াই লাখ মানুষের মৃত্যু ঠেকানো যাবে।

সফটওয়্যারটি হার্টবিট, ফুসফুসের শ্বাস নেয়ার ধরন, রক্তের চাপ, শরীরের তাপমাত্রা আর অক্সিজেনের মাত্রা যাচাই করবে। এসব তথ্য স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের ফোন, ট্যাবলেট বা কম্পিউটারেও দেখতে পারবেন।

ফলে বিছানার পাশে না এসেও তারা যে কোনো স্থানে বসে রোগীর ওপর নজরদারি করতে পারবেন। রোগীদের ০-৫ মাত্রায় নজরদারি করা হবে। কোনো রোগীর অবস্থা যদি ৩-এর বেশি হয়ে যায়, তখনই সফটওয়্যারটি সতর্কবার্তা পাঠাতে শুরু করবে।

তবে ওয়েবের সবচেয়ে বড় সাফল্য হল, এই সফটওয়্যারের অ্যালগোরিদম ব্যবস্থা, যার নামকরণ করা হয়েছে ভিসেনশিয়া সেফটি ইনডেক্স। প্রথমবারের মতো মার্কিন স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এ ধরণের কোনো স্বাস্থ্য সফটওয়্যারের অনুমোদন দিয়েছে।

তবে এর মাধ্যমে সব রোগীকেই যে বাঁচানো যাবে, সেই আশা করছেন না বিজ্ঞানীরা। তারা এখন শুধু সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করে মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে চাইছেন।

এর মধ্যেই সফটওয়্যারটি পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হয়েছে এবং সেখানে আশাতীত সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে। এখনও যদিও এই সফটওয়্যারটি শুধু নিবিড় পরিচর্যাকন্দ্রগুলোয় ব্যবহার করা সম্ভব।

তাড়াশে সরিষার আবাদ করে বিপাকে কৃষক

জলাবদ্ধতা আর সুতিজালের প্রভাবে পানি নিষ্কাশনে বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশে চলতি বছরে কাঙ্ক্ষিত সরিষার আবাদ করতে পারেনি কৃষক। প্রতি বছরই বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় উপজেলার আনাচে কানাচে সরিষার আবাদ হতো। গত বছরের অর্ধেক জমিতে এবার সরিষার আবাদ হয়েছে। অন্য বছরের এ সময় সরিষা ঘরে তোলার সময় হলেও এবার কেবল সরিষা গাছে ফুল ফুটেছে।

অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার সরিষার আবাদ কম হওয়ায় মৌ চাষিরা তেমন সুবিধা করতে পারছেন না। এবার কম মধু সংগ্রহ করা যাবে বলে মৌচাষিরা জানান। গত বছর যেখানে ৭ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছিল এবার তার চেয়ে অনেক কম জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। এবার মাত্র ৩ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ করতে পেয়েছেন কৃষকরা। নাবী হবার কারণে ফলনও তুলনামূলক কম হবার সম্ভাবনা রয়েছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।

এলাকার কৃষকরা জানান, গত কয়েক বছর বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় চলনবিলের তাড়াশ উপজেলার আনাচে-কানাচে ব্যাপক সরিষার আবাদ করতো কৃষকরা। বর্তমানে সরিষার গাছে-গাছে হলুদ ফুলের সমাহার ঘটেছে। অন্যান্য বছর এ সময় সরিষা মাঠ থেকে ঘরে তুলতো কৃষক। আর এবার সরিষায় কেবল ফুল আসছে। সরিষার আবাদ কম হওয়াতে এবার মৌচাষির সংখ্যাও কম। সরিষা নাবী হওয়ার কারণে ওই জমিতে বোরো ধানের আবাদ নিয়ে কৃষক শঙ্কিত হয়ে পড়েছে। তাড়াশের মাকড়শোন, লালুয়ামাঝিড়া, সগুনা, কামারশোন, কুন্দইল, ধাপতেতুলিয়া, সান্দুরিয়া ও ভেটুয়া গ্রামের কৃষকরা জানিয়েছেন সুতিজাল ও জলাবদ্ধতার কারণে এবার সরিষার আবাদ ব্যাহত হয়েছে। বন্যার পানি জমিতে থাকায় কৃষক সময় মত সরিষার আবাদ করতে পারে নাই। তারপরও কৃষক সরিষার আবাদ থেকে বিরত থাকে নাই। তবে এবার সরিষার জমিতে বোরো ধানের আবাদ নিয়ে শঙ্কিত বলে তারা জানান।

শেষ সময়ে সরিষার আবাদ করতে গিয়ে কৃষক অনেকটাই বিপদে পড়েছে বলে তারা মনে করছেন। সরিষা ঘরে তুলতে এখনও প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লেগে যাবে। এদিকে মাঘ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই বোরো ধান রোপণ কাজ শেষ করতে হবে। কিন্তু এবার পুরো মাঘ মাস জুড়েই বোরো ধানের রোপণ কাজ চলবে। সরিষার আবাদ করতে গিয়ে কৃষক এবার দু’কুল হারাতে বসেছে। পাবে না কাঙ্ক্ষিত সরিষা আর না হবে ঠিকমত বোরো ধানের আবাদ। তবে সরিষা কম হওয়ায় ইতিমধ্যে সরিষা ছাড়া সকল জমিতেই বোরো ধান রোপণ কাজ শেষ পর্যায়ে। তারপরও কৃষকেরা আশায় করছেন সরিষা ও বোরো ধান আবাদ করবেন।

সরিষার আবাদ কম হওয়া প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল ইসলাম জানান, সুতিজাল ও জলাবদ্ধতার কারণে এবার তাড়াশের অর্ধেক জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। তুলনামূলকভাবে ফলন কি হবে তা সরিষা মাড়াই করার পর বোঝা যাবে। তবে কৃষকরা জানান, নাবী হলেও এবার সরিষার ফলন ভাল হবে। সরিষা ঘরে তোলার পর ওই জমিতে কৃষক বোরো ধানের আবাদ করবে।বোরো ধানের আবাদও নাবী হবে। কাজেই কৃষক দু’দিক থেকে ধরা খাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আমিরের চীন দখল, ৫০০ কোটির টার্গেটে লড়ছে সিক্রেট সুপারস্টার

চীনের বাজারে ৪০০ কোটি রুপি ব্যবসার মাইলফলক অতিক্রম করল আমির খানের স্বল্প বাজেটের ছবি ‘সিক্রেট সুপারস্টার’। ট্রেড অ্যানালিস্ট তরণ আদর্শ ট্যুইটের মাধ্যমে এই তথ্য জানান।

তিনি ট্যুইটে লেখেন, আমির খানের ১৫ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত ছবি সিক্রেট সুপারস্টার চীনের বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। স্বল্প বাজেটের এই ছবিটি রবিবারের মধ্যেই প্রায় ৪২০ কোটি রুপি ব্যবসা করেছে। ছবিটি চলছে তো চলছেই, থামাথামির কোনো নাম-গন্ধ নেই। ছবিটি চীনা বাজারে মুক্তি পাবার দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়ল। ছবিটির টিকেট বিক্রির হার চীনে ‘স্টার ওয়ারস : লাস্ট জেডি’র টিকেট বিক্রির হারকেও ছাড়িয়ে গেছে।

আরো পড়ুন : উত্তর আমেরিকায় ‘পদ্মাবত’ তাণ্ডব, ভাঙল আমিরের রেকর্ড

থামানো যাচ্ছে না সিক্রেট সুপারস্টারকে। অ্যানালিস্টরা ধারণা করছেন, এটি ৫০০ কোটি রুপির অধিক ব্যবসা করবে।

২০১৭-১৮ সালে চীনের বাজারে রিলিজ হওয়া আমির খানের দ্বিতীয় ছবি সিক্রেট সুপারস্টার। প্রথম ছবি ‘দঙ্গল’ চীনের বাজারে প্রায় ১২০০ কোটি রুপি ব্যবসা করেছে। যা রীতিমতো বিস্ময়কর। মেলোডিয়াস ড্রামার প্রতি চীনা দর্শকদের এই আগ্রহ অনেক সিনে সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
সূত্র : এনডিটিভি

ভর্তি জালিয়াতি: ছাত্রলীগ নেতাসহ ১৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার: ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির এক সহ সম্পাদকসহ ১৫ শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় তাদের বহিষ্কারাদেশ চূড়ান্ত করা হয়। বিষয়টি মানবজমিনকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। তিনি বলেন, শৃঙ্খলা কমিটি (ডিবি) এর সুপারিশের ভিত্তিতে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া ও ভর্তি করিয়ে দেয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল।
এর আগে গত ৪ঠা জানুয়ারি শৃঙ্খলা কমিটির এক সভা থেকে অভিযুক্ত ১৫ জনের ছাত্রত্ব বাতিল চেয়ে সুপারিশ করা হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় বিষয়টি চূড়ান্ত করে সিন্ডিকেট। জালিয়াতি করে শিক্ষার্থী ভর্তি করিয়ে দেয়ার সঙ্গে জড়িত থাকায় বহিষ্কৃতরা হলেন- ভুগোল ও পরিবেশ বিভাগের তৃতীয় বর্ষের নাভিদ আনজুম তনয়, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মহিউদ্দিন রানা, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের আবদুল্লাহ আল মামুন। এদের মধ্যে রানা কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন অমর একুশে হল ছাত্রলীগের নাট্য ও বিতর্ক সম্পাদক।
এছাড়া বহিষ্কৃত অন্যরা হলেন- ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের নাহিদ ইফতেখার, বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের মো. আজিজুল হাকিম, মনোবিজ্ঞান বিভাগের মো. বায়েজিদ, সংস্কৃত বিভাগের প্রসেনজিৎ দাশ, স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের ফারদিন আহমেদ সাব্বির, অর্থনীতি বিভাগের মো. তানভীর আহমেদ মল্লিক ও রিফাত হোসাইন, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের রাফসান করিম, বাংলা বিভাগের আখিনুর রহমান অনিক, ইতিহাস বিভাগের টিএম তানভীর হাসনাইন, শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগের মুন্সী সুজাউর রহমান এবং পালি ও বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের নাজমুল হাসান নাঈম