জব্দ অটো রিক্সা ফেরত পেতে আগুনে শরীর জ্বালিয়ে প্রতিবাদ

ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল মোড়ে আজ শুক্রবার নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক শামীম শিকদার। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল মোড়ে নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন এক চালক। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

ট্রাফিক পুলিশের দাবি, অভিযানের সময় জব্দ অটোরিকশা ফেরত পেতে চালক শামীম শিকদার নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

শামীম শিকদারকে দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের প্রায় ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। শামীম শিকদার বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ভাইজোড়া গ্রামের মৃত শাজাহান শিকদারের ছেলে। তিনি আশুলিয়ার নরসিংহপুরের মান্নান মিয়ার বাড়িতে পরিবারসহ ভাড়া থাকেন।
বাইপাইল ট্রা‌ফিক পু‌লিশ ব‌ক্সের সার্জেন্ট আমিনুর রহমান জানান, আজ সকাল থেকে মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত অবৈধ অটোরিকশা জব্দ করা হয় এবং ব্যাটারি খুলে রাখা হয়।
এ সময় চালক শামীম শিকদারের অটোরিকশাও জব্দ করা হয়। তিনি অটোরিকশা ফেরত পেতে বারবার অনুরোধ করেন। না পেয়ে কোনো কিছু না বলে চলে যান। কিছুক্ষণ পরে এসে নিজের শরীরে আগুন ধরিয়ে সবার সামনে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় ট্রাফিক পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাবিব ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।
হাবিব ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ভজন দাস জানান, শামীম শিকদারের মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের প্রায় ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।

মওদুদের আশংকাই সত্য হল : বাড়িটি ভেঙ্গেই ফেলা হল

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের গুলশানের বাড়ি রোববার সকাল ৯টা থেকে ভাঙ্গা শুরু করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। সকাল ৮টায় ওই বাড়িতে অবস্থান নেয় রাজউকের লোকজন। বাড়ি ভাঙ্গার অভিযানে নেতৃত্বদানকারী রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার অলিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সকালে বাড়ি ভাঙ্গা শুরু হয়। আজই সম্পূর্ণ বাড়ি ভেঙে ফেলা হবে। ৪-৫ ঘণ্টার মধ্যে বাড়ি ভাঙ্গার কাজ শেষ হবে।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক পরিবর্তন ডটকম-কে বলেন, সকালে মওদুদের বাড়িতে রাজউকের লোকজন আসেন। বাড়ির বাইরের নিরাপত্তায় রয়েছে থানা পুলিশ।

আইনি লড়াইয়ে হেরে গুলশান-২ নম্বরের ১৫৯ নম্বর বাড়িটি ৭ জুন ছাড়তে হয় মওদুদ আহমদকে। বাড়িটি দীর্ঘদিন দখলে ছিল তার। বাড়িটি বুঝে নেয় রাজউকের সম্পত্তি শাখা।

বর্তমানে মওদুদ আহমদ গুলশান-২-এর ৫১ নম্বর সড়কের ২ নম্বর বাড়ির ছয়তলা ভবনে নিজস্ব ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন।

 

 

 

 

সেই ফখরুদ্দিন আহমেদ এখন

সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দিন আহমেদ। দৌর্দণ্ড প্রতাপে দুই বছর চালিয়েছেন দেশ। তার আমলে গ্রেপ্তার হয়েছেন দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ নেতা শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়া। ২০০৯ সালে ক্ষমতা হারানোর পর থেকে সেই ফখরুদ্দিন আহমেদ আট বছর ধরেই বিদেশে।

২০০৯ সাল থেকেই ফখরুদ্দিন আহমেদ যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডে বসবাস করছেন।

২০০৯ সালের জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করে ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। ক্ষমতার পালাবদলের পর ফখরুদ্দিন বেশ কিছুদিন সরকারি বিশেষ নিরাপত্তায় দেশেই ছিলেন।

এরপর ১/১১ কর্মকাণ্ডের কিছু বিষয় খতিয়ে দেখতে গঠিত সংসদীয় কমিটি ফখরুদ্দিনকে জেরার জন্য তলব করছে মর্মে খবর প্রকাশের কিছুদিনের মধ্যে সপরিবার তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। আগে থেকেই মার্কিন নাগরিক ফখরুদ্দীন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড স্টেটের পটোম্যাকে যে দুটি বাড়ির মালিক তার একটিতে এখন তিনি স্ত্রীসহ থাকছেন। অন্য বাড়িতে থাকে তার মেয়ের পরিবার।

খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ায় ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ বিষয়ে গবেষণা ও শিক্ষকতা করছেন তিনি। তবে, স্থানীয় বাংলাদেশী কমিউনিটির একটি অংশ বিশেষ করে বিএনপি সমর্থকদের ক্ষোভের কারণে তিনি নিজেকে একটু দূরে সরিয়ে রাখেন।

২০০৯ সাল থেকে সেখানে অবস্থান করলেও ফখরুদ্দিন সাধারণত বাংলাদেশি কমিউনিটির সামনে আসেন না।

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (প্রশাসন) আক্তারুজ্জামান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমার কারণে মনে হয় দুইটি কারণে ফখরুদ্দিন ও মইন উদ্দিন আহমেদ (সাবেক সেনাপ্রধান) দেশে আসতে পারছেন না। প্রথমত. তারা দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালুর ক্ষেত্র দীর্ঘায়িত করেছে। দ্বিতীয়ত. তারা এমন কিছু কাজ করেছে, সেটা নৈতিকভাবে ঠিক হয়নি। এই অপরাধবোধের অনুশোচনা থেকেই তারা বিদেশে আছেন।’

‘দেশে না আসাটাও তাদের অপরাধের একটা স্বীকৃতি। তারা হয়ত মনে করছেন, দেশে আসলেই তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’

২০১৫ সালের শেষদিকে তার এক বন্ধুর জানাযায় অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের এক মসজিদে উপস্থিত হয়েছিলেন ফখরুদ্দিন আহমদ। তবে, সেসময় বেশ কয়েকজন তার সামনেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জানাযা শেষ করে দ্রুত ওই এলাকা ছেড়ে চলে যান তিনি।

ফখরুদ্দিনের পরিবারের একজন সদস্য জানিয়েছেন, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার শরীরে ক্যান্সারের মতো রোগ বাসা বেঁধেছে। যে কারণে ক্রমেই তার শরীর ভেঙে পড়ছে। মাঝে মধ্যেই তাকে কেমোথেরাপি নিয়ে হচ্ছে।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি দেশের রাজনৈতিক সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে সেনা হস্তক্ষেপে ক্ষমতা দখল করেছিলেন ফখরুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সেই থেকে বছরের প্রথম মাসের ১১ তারিখ পশ্চিমা আদলে ১/১১ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

সংবিধান অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ তিন মাস হলেও ফখরুদ্দিন আহমদের সরকার ক্ষমতায় ছিল প্রায় দুই বছর। তবে ওই সময় পেছন থেকে সে সময়ের প্রধান সেনাপতি জেনারেল মইন ইউ আহমেদ কলকাঠি নাড়তেন বলে অভিযোগ আছে। ফখরুদ্দিনের মত তিনিও এখন আছেন যুক্তরাষ্ট্রে।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চলমান অসহিষ্ণুতার কারণে সহিংসতা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর চরম ব্যর্থতা এবং এর ফলে পশ্চিমাদের চাওয়ার ফল হিসেবে ওইদিন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা চলে যায় সেনা সমর্থিত অরাজনৈতিক সরকারের হাতে। এর আগে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ নিজেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হয়ে ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন।



একপর্যায়ে আওয়ামী লীগসহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেও নির্বাচন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সেনাপ্রধান পদে পরিবর্তন আনতে চান ইয়াজউদ্দিন।

সেনাবাহিনীর মূলধারা তার এ সিদ্ধান্ত আগেই জানতে পেরে ১১ জানুয়ারি তা বন্ধ করার পাশাপাশি জরুরি অবস্থা জারি করায় বিশ্বব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা ফখরুদ্দিন আহমদকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠিত হয় নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

ইয়াজউদ্দিন অধ্যায় শেষ হলে মানুষ আশা করেছিল ফখরুদ্দিন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার দ্রুততম সময়ে দেশবাসীকে একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন উপহার দেবে। কিন্তু, তারা উল্টো ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’বাস্তবায়ন করে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে দেশের রাজনীতি থেকে বিদায়ের চেষ্টা শুরু করে।

‘সেনা-সমর্থিত’ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ ও জরুরি অবস্থা জারির ছয় মাসের মধ্যে ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই ভোররাতে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়। খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় ৩ সেপ্টেম্বর।

আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে মুক্ত হন শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া। অনেক শঙ্কা আর দোলাচলের নির্বাচনের মাধ্যমে ২০০৯ সালের শুরুতে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ।

ঢাকাটাইমস

শাহাবুদ্দিন লাল্টুকে বলছি – আশিক ইসলাম

শাহাবুদ্দিন লাল্টুকে বলছি –
ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি লাল্টুর সাথে আমার মিত্রতা বা শত্রুতা ছিল না। এমন কি সে আমার ফেইস বুক ফ্রেন্ড না। তার কোন ফোন নাম্বারও আমার কাছে নাই। সম্প্রতি লাল্টুর কিছু লেখা নানা মাধ্যম থেকে পাই এবং পড়ে অবাক হই। জাতীয় নেতা – নেত্রীদের সম্পর্কে তার মিথ্যাচার দেখে। তার ফেইসবুক কমেন্টে কিছু কথা লিখেছিলাম যা সে ডিলিট করে দেয়। তাই লাল্টুর উদ্দেশ্যে আমার এ লেখা।
জনাব শাহাবুদ্দিন লাল্টু
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে প্রশ্ন করুন ,আপনি কে ? কী আপনার পরিচয় ? আপনি মেধাবী কোন ছাত্র ছিলেন না, না সুদর্শন, না সুবক্তা, না কর্মঠ সংগঠক, না প্রোফেশনালি সাউন্ড কোন ব্যক্তি। আপনার পরিচয় একটিই আর তাহলো আপনি ঐতিহ্যবাহী ছাত্র দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ছিলেন। এর বাইরে মানুষকে বলার মত নুন্যতম কোন যোগ্যতা বা পরিচয় আপনার নেয়। এই পরিচয়ে এখনও আপনি করে কেটে খাচ্ছেন। পরিচয়টা অর্জন করেননি, পেয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের দয়ায়। আজ তাদেরকে নিয়ে আপনি মাত্রাহীন মন্তব্য করেন, সমালোচনা করেন, শালিনতাহিন কথাবার্তা বলেন ও লেখেন। তাই আপনাকে আর আপনি সম্মধোন করতে ইচ্ছা করে না। কিন্তু নিজের শিক্ষা ও আপনার অতীত পদের সম্মানের কারনে আপনি করেই বলছি –
বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যন তারেক রহমানের নির্দেশে সারা বাংলাদেশে গুম খুন আহত নির্জাতিতদের যে তালিকা করা হচ্ছে, তাদের পাশে দাড়ানোর যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তা নিয়ে আপনি কটাক্ষ করেছেন, মিথ্যাচার করেছেন। কিন্তু আপনি ভালো করেই জানেন, আপনার শরীরে যত লোম বা পশম আছে তার চেয়ে বহুগুণ নেতা-কর্মীকে তারেক রহমান চাকুরি দিয়েছেন। অভাবী মেধাবীদের পড়ার খরচ দিয়েছেন,শিতার্ত মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন। অভুক্তের আহার যুগিয়েছেন,উদ্দ্যমী যুবককে শক্তি দিয়েছেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের অভাবী মানুষকে করতে চেয়েছেন স্বাবলম্বী । অন্ধের চোখে আলো দিয়েছেন।পীড়িতর সেবার ব্যবস্থা করেছেন।
জনাব লাল্টু,আপনি যত দানা ভাত না খেয়েছেন, তার চেয়ে বেশি মানুষের সাথে তারেক রহমান করমর্দন করেছেন। শহর থেকে গ্রামে, গ্রাম থেকে প্রতন্ত অঞ্চলে পায়ে হেটেছেন, কথা বলেছেন। এর অনেক কার্যক্রমে আপনি নিজেও যুক্ত ছিলেন। কিন্তু আপনার কাছে আজ সব কিছু অতীতই শুধু নয় বিস্মৃতও বটে।
কারন – আপনি বিএনপির নমিনেশন চেয়ে পাননি। কারন আপনি আপনার পদের মর্যাদা বোঝেননি, কারন সহজ পদ প্রাপ্তি আপনার লালশা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। এত বিশাল পদ ও ক্ষমতা পেয়েও কোন মানুষের উপকার করেন নি আপনি। বরং অর্জিত সম্পদ রক্ষায় হাত মিলিয়েছেন কানাডার বেগম পাড়ার লুটেরাদের সাথে। ছাত্রদল থেকে বিতারিত পতিত পাপীদের সাথে সূর মিলিয়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সমালোচনা করে আওয়ামী প্রেমী সাজতে চাইছেন ?
এতে কোন লাভ হবে না। সাময়িক বাহবা পাবেন, অল্প কিছুদিন হয়তো আওয়ামীলীগের ছায়া তলে থাকবেন কিন্তু শেষ ফলাফল বিশ্লেশনে দেখবেন আপনি সমাজে ধিক্রিত নিকৃষ্ট মোনাফেকে পরিনত হয়েছেন এবং এখনকার সুযোগসন্ধানি বন্ধুরা আপনাকে আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করেছে।

আমি জানি, এর পর আপনি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার শুরু করবেন, তাতে আমি ভীত নই। বরং খুশি হব যে আমার মত নগন্য মানুষকে নিয়ে ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি কথা বলেন বা লেখে্ন। তবে এটুকু মনে রাখবেন আপনি অদৃশ্য কেও নন, দেশ ছেড়ে যতই কানাডার টরেন্টতে পাড়ি দিন না কেন আপনার গোপন খবর অনেকেই জানে। দেশে কোথায় কি করেছিলেন, কোথায় কি ভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন,১/১১ এর পর কাদের সাথে আতাত করে ছেন, ছাত্রদলের ছেলেদেরকে ধোকা দিয়ে, বঞ্চিত করে কিভাবে লীগের লোকজনকে পুলিশ, শিক্ষক ও প্রশাশনে চাকুরি দিয়েছেন, বদলি, প্রমোশন আর টেন্ডার তদবির কি পরিমান করেছেন তা-ও মানুষ ভুলে যায়নি। আমরা ভুলি নি আপনার নোংরামীর কথা, ভুলি নি আপনি কি ভাবে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় পদে নিজের স্ত্রীকে নিয়োগ দিয়েছিলেন। নিজের জন্য এত কিছু করেও ছাত্র দলের শহীদ জগ্লুর বোন নাঈমার কোন উপকার আপনি নিজে করতে পারলেন না কেন ?
ইতিমধ্যেই মানুষ বলতে শুরু করেছে, টরেন্টতে ছোট্ট বাঙালি কমিউনিতির সহ সভাপতি পদ প্রাপ্তির পর থেকে আপনার অতি বাড়াবাড়ির কথন, আপনার কমিউনিটির মানুষই হাসাহাসি করে যে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ থেকে মাস্টার্স পাশ করেও ইংলিশ বলতে লিখতে না পারায় আপনার স্কুলে ভর্তি হওয়া নিয়ে।
পরিশেষে আপনাকে একটা গল্প বলি-
গহীন জঙ্গলে বিশাল এক পাহাড়ে এক সাধু ধ্যানে মগ্ন। হটাত কিচ কিচ শব্দে তার ধ্যন ভেঙ্গে যায়। দেখতে পান, এক মা ইদুর তার ছোট্ট বাচ্চাকে নিয়ে খেলছে। সাধু আরো ভালো মত দেখার জন্য যখন তাদের কাছে যায় তখন মা ইদুরটি সাধুর বড় বড় চুল দাড়ি দেখে ভয় পায় এবং পালাতে গিয়ে পাহাড় থেকে নীচে পড়ে মারা যায়। সাধু খুব কশট পান, তার মায়া হয়। সে ছোট্ট ইদুরটিকে লালান পালন করতে থাকেন। কিন্তু সমস্যা হল ইদুরের লোভে মাঝে মাঝেই বিড়াল আসে, সাধুর ধ্যনে ব্যঘাত ঘটে। ইদুরটিকে রক্ষার জন্য সাধু ইদুরটিকে বিড়াল বানিয়ে দেন। তাতেও সমস্যার সমাধান হয় না। কারন এর পর বিড়াল খেতে কুকুর আসতে শুরু করে। সাধু বিড়ালকে এবার কুকুর বানিয়ে দিলেন। এতেও নিষ্কৃতি পেলেন না। কারন অন্যান্য বড় প্রানী কুকুরকে ডিস্টার্ব করতে শুরু করলো। এবার সাধু ঠিক করলেন অনেক হয়েছে , ইদুরটিকে বিড়াল, বিড়াল থেকে কুকুর করেও যেহেতু লাভ হচ্ছেনা তাই অকে সিংহ বানিয়ে দেয়ায় উত্তম। যাতে কেও তাকে আর ডিস্টার্ব না করতে পারে। যেই ভাবা সেই কাজ। ইদুরটি এবার সিংহে পরিনত হল। কিন্তু বিপত্তি বাধলো অন্য খানে।
সিংহ আকৃতিতে যত বড়ই হোক না কেন, যতই তার শক্তি থাকুক না কেন, যতই সে বনের রাজা হোক তার আত্তা বা কলিজা তো ইদুরের। সিংহ হীনমন্যতায় ভূগতে থাকে। সব সময় মনে মনে ভাবে এই বুঝি কেও জেনে গেল – আমি ইদুর ছিলাম। তাহলেতো কেলেংকারির শেষ থাকবে না, এখন যারা আমাকে মান্য-গন্য করছে তারা মানবে না। তাই সিংহ ঠিক করে, সাধুকেই খেতে হবে। কারন সেই একমাত্র জানে আমি ইদুর।
সিংহ তার স্রষ্টাকে ভুলে যায়। পরিনাম যা হবার তাই। সাধু সব বুঝতে পারেন এবং শুধুমাত্র ভালোবাসার কারনে সিংহকে মৃত্যু না দিয়ে পুনরায় ইঁদুর বানিয়ে পাহাড় থেকে তাড়িয়ে দেন এবং বলেন, “প্রত্যাশার থেকে প্রাপ্তির ব্যপ্তি মস্তিস্কের বিকৃতি ঘটায়”।

: লেখক নির্বাসিত সাংবাদিক ।

ঈদের কেনাকাটা বিদেশে না করার আহ্বান খালেদা জিয়ার

জরিনার ট্রেনযাত্রা

‘আমি খুব কাছে মা, শনিবার একসঙ্গে ইফতার করবো’

সন্তান যখন ডুবছিল, মা তখন ফেসবুকে!

ভাঙনের শঙ্কায় মওদুদ

টনক নড়লো কর্তৃপক্ষের, মর্গের মেঝেতে পচা লাশ