‘দুই-এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ ডিজিটাল ডিভাইস রপ্তানি করবে’

এপ্রিল ৬, ২০১৮ ৫:৩৭ অপরাহ্ণ

আগামী দুই-এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ ডিজিটাল ডিভাইস রপ্তানি করবে বলে আশা করছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, এসব পণ্য হবে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলক ও সাশ্রয়ী দামে। তাই তথ্য-প্রযুক্তি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রযুক্তিবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য কাজ করছে বর্তমান সরকার। আর এটা করা গেলে দেশে একটি জ্ঞাননির্ভর অর্থনীতির দেশ তৈরিতে সহায়ক হবে বলেও তিনি মনে করেন।

রাজধানীর মতিঝিলে চেম্বার ভবনে অনুষ্ঠিত ‘টেকনোলজি, ইনোভেশন অ্যান্ড পলিসি : হাউ টু প্রসিড?’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব কথা বলেন তথ্য-প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জাব্বার। গতকাল বৃহস্পতিবার ব্যবসায়ীদের সংগঠন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) এই সেমিনারের আয়োজন করে।

সারা বিশ্বে তথ্য-প্রযুক্তি খাত বর্তমানে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বিশ্ব এখন পঞ্চম প্রজন্মের (ফাইভজি) ইন্টারনেট সেবায় সম্পৃক্ত হচ্ছে। প্রযুক্তির এমন দ্রুত পরিবর্তনকে মানিয়ে নিতে আমরাও প্রস্ততি নিচ্ছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত হতে হলে শিল্পায়নের অটোমেশন মেনে নিতে হবে।’ এরই মধ্যে আমাদের শিল্পকারখানায় এর কিছুটা প্রভাব পড়ছে বলেও তিনি মনে করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে। যেসব কাজ আমাদের দেশের লোকজন করতে পারে, সেখানে বিদেশিদের নেওয়া যাবে না। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে কিছুটা ভুল হতে পারে। কিন্তু চূড়ান্তভাবে দেশের উন্নয়ন হবে। চীনসহ প্রযুক্তিতে পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো এভাবে এগিয়েছে।’

জামিলুর রেজা চৌধুরী আরো বলেন, শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা থাকতে হবে। না হলে শিল্প বিপ্লব হবে না। এ ক্ষেত্রে একটি জাতীয় নীতিমালা জরুরি। তাঁর মতে, আমাদের শিক্ষার কারিকুলামে বড় পরিবর্তন আনতে হবে। কারণ মধ্যম আয়ের দেশের জন্য প্রতিবছর কমপক্ষে ২৫ শতাংশ মানুষের উচ্চশিক্ষা নেওয়া দরকার। কিন্তু বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষায় যাচ্ছে মাত্র ১০ শতাংশ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রযুক্তি খাতে দেশের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে এটি হতে পারে অন্যতম খাত। কিন্তু সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এমনকি মেধাসম্পদকে মূল্যায়নের ব্যবস্থা নেই। ফলে এ খাতে ব্যাংকঋণ পাওয়াও কঠিন। আর এ অবস্থার উত্তরণে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের জন্য জাতীয় নীতিমালা জরুরি।

এমসিসিআইয়ের সভাপতি নিহাদ কবিরের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন এমসিসিআইয়ের সদস্য হাবিবুল্লাহ এন করিম, এসিআই লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আরিফ দৌলা, মাইক্রোসফট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনিয়া বশির কবির, এমসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর প্রমুখ। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রুকুনুজ্জামান।

 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1088 বার
 
 
 
 
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও তারেক রহমান
 
 
 
 

সব মেনু এক সাথে

 
 

পূর্বের সংবাদ

 
 

অনন্য অনলাইন পত্রিকা

 
 
 

 
Plugin by:aAM
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com