দলীয় কার্যালয়ে থাকবেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার!

মার্চ ৯, ২০১৮ ১:১৪ অপরাহ্ণ

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সদ্য সাবেক হওয়া মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার একেবারেই সাদাসিধে জীবন যাপন করেন। সবচেয়ে গরিব মুখ্যমন্ত্রীর খেতাবটাও তারই।

টানা ২০ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী থেকেও তেমন কোনো সম্পদ নেই তার। এমনকি নিজের কোনো বাড়ি-গাড়ি নেই মানিক সরকারের। নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে বিদায় নেওয়ার পর স্ত্রীকে নিয়ে এক রুমের দলীয় গেস্ট হাউসে উঠেছেন।

পার্টি অফিসে যা রান্না হবে মানিক সরকার সেটাই খাবেন। আগরতলার কাছে মানিক সরকারের নয়শ বর্গফুটের একটি পৈতৃক বাড়ি আছে, সেটা কাঠের তৈরি।

ওই বাড়িতে বোনের প্রাপ্য চারশ ৫০ বর্গফুট বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। এতো বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকার পরেও সে বাড়িতে কোনো পরিবর্তন আনেননি মানিক সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী থাকা অবস্থায় তার টাকার পরিমাণ ক্রমাগত কমেছে। মানিক সরকারের স্ত্রী সরকারি চাকরি করতেন। মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী হয়েও তিনি বাসে চলাফেরা করতেন।

গত ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হয়েছে তার দল। সে কারণে দুই দশক মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর এবার ছাড়তে হচ্ছে দায়িত্ব।

নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব শপথ নেবেন আজ শুক্রবার। গত বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর বাংলো ছেড়ে দিয়েছেন মানিক সরকার। উঠেছেন দলীয় কার্যালয় ভবনের একটি ছোট্ট অতিথি কক্ষে।

মানিক সরকারের বাড়িভর্তি ছিল শখের বই। তার স্ত্রী পাঞ্চালি ভট্টাচার্য জানান, জায়গা না থাকায় বেশ কিছু বই তারা দিয়ে দিয়েছেন রাজ্য সরকারের বীরচন্দ্র স্টেট সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে। লেনিন রচনাবলী, দাস ক্যাপিটাল, কার্ল মার্কসসহ অনেক বই দিয়েছেন সিপিএমের দলীয় লাইব্রেরিতে। বাংলাদেশের কয়েকটি প্রকাশনার বেশ কিছু বই রেখেছেন নিজেদের কাছে। আগরতলার কৃষ্ণনগরে পাঞ্চালির বাপের বাড়ির একটি ঘরে ঠাঁই পাচ্ছে সেসব গ্রন্থ।

দলের সভাপতি হিসেবে পার্টি থেকে ব্যয় নির্বাহের জন্য দেওয়া হয় কিছু টাকা। সেটা দিয়েই চলবে তার প্রতি মাসের খরচ।

 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1119 বার
 
 
 
 
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও তারেক রহমান
 
 
 
 

সব মেনু এক সাথে

 
 

পূর্বের সংবাদ

 
 

অনন্য অনলাইন পত্রিকা

 
 
 

 
Plugin by:aAM
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com