তারেক রহমান আপনার প্রধান প্রতিপক্ষ তথ্য-সন্ত্রাস

নভেম্বর ২০, ২০১৭ ৮:২১ পূর্বাহ্ণ

#আশিক ইসলাম

তারেক রহমান। আসন্ন দিনের রাস্ট্রনায়ক আপনি। আপনার জন্য উতল বাংলাদেশ। অপেক্ষা করছে উদার আকাশ,স্মৃতি ঝলমল সুনীল মাঠ। পানি টলটল পদ্মা-মেঘনা। উড়ন্ত পাখির মালা। কাজল দীঘির শান্ত বুকে পদ্ম ফোটা শোভা । চাঁদ জাগা বাঁশ বাগান। প্রতিদিনকার পূব দিগন্তে লাল সূর্যের হাসি। বকের ডানায় ছাওয়া চর। দোয়েলের তীব্র শিস। পাখ পাখালির গান। ব্যাধের নিশানায় থাকা গাঙ শালিখের আর্তি।
শহীদের খুন রঞ্জিত স্বপ্ন ছাওয়া পথের কাছে আপনার অনেক ঋণ আছে। দুর্ভাগ্যের বিস্বাদ শর্বরী থেকে উঠে দাড়াতে বাংলাদেশ ডাকছে আপনাকে। এখানে এখন দিকে দিকে হায়েনারা ফেলছে বিষাক্ত নিঃশ্বাস। অস্ফুট হ’য়ে ক্রমে ডুবে যাচ্ছে জীবনের জয়ভেরী। ঘরে ঘরে ক্রন্দনধ্বনি। বাতাসে হাহাকার। চারদিকে রোণাজার ক্ষুধিতের! আপনাকে ডাকছে ঘোর তিমির ঘন নিবিড় নিশীথে পীড়িত মূর্ছিত দেশ- হে জনগন মন অধিনায়ক। জনগণ-ঐক্য-বিধায়ক। হে বাংলাদেশ ভাগ্যবিধাতা। সবাই অধীর প্রতীক্ষা করছে আপনার জন্য। দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ভাগ্যবদলের ধ্বনি-প্রতিধ্বনি তুলে আপনার জন্য অপেক্ষায় অসহায় মানুষ!
কারন-
আপনার নিঁকষিত দেশপ্রেম, জনকল্যানে ধ্যানদৃষ্টি,ধীশক্তি,প্রজ্ঞা,দুরদৃস্টি,সততা আর বিচক্ষনতার উপর পিঠ পেতেছে বাংলাদেশ। অবিচল মঙ্গল নত নয়নে অনিমেষে জাগ্রত আপনি। বালির বাঁধের সামনে উত্তাল স্রোত আপনি । আপনি আপন মহিমায় আজকের বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
আপনার স্বপ্নের সাথে স্বপ্ন দেখছে দুখিনি বাংলাদেশ। আপনার শোনিতে
প্রবাহিত বাংলাদেশের বড় সত্য জিয়াউর রহমান। হাজার বছরের ক্ষনজন্মা কিংবদন্তি জিয়ার বিমুর্ত প্রতিচ্ছবি আপনি। গন মানুষ আপনার ভেতর খুঁজে পেয়েছে রূপকথার মতো হারানো মানিক জিয়াউর রহমান। আপনি মেধা, মনন ও আভিজাত্যের এক অনন্য উত্তরাধিকার। আপনি আপন উদ্ভাসিত সত্বাকে পরিনত করেছেন চারণ রাজনীতিকে। আপনার রূপকল্প আধুনিক মালয়েশিয়ার স্থপতি দীপ্তিময় নেতা মাহাথির মোহাম্মদের মতো হিরন্ময় ভিশনে । বাংলাদেশকে তড়িৎ বদলে দেয়ার দিকপাল স্বপ্ন সারথি আপনি। আপনি আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলে থাকেন-
“আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে বহুদূরে। এই অগ্রযাত্রায় গতি হতে হবে দ্রুত। লক্ষ্য হতে হবে অভেদ্য-সুনির্দিষ্ট। অতীতমুখী নয়, আমাদের চেতনা ও দায়বদ্ধতা হতে হবে ভবিষ্যতমুখী।’২০৩০ সালের বাংলাদেশ হবে আত্মমর্যাদা সম্পন্ন, অর্থনৈতিকভাবে সফল, উন্নত একটি গণতান্ত্রিক দেশ- যাকে অন্যরা শ্রদ্ধা করবে, বিশ্ববাসী সম্মানের সঙ্গে তাকাবে। এটাই আমার এবং আমার প্রজন্মের সব বাংলাদেশী তরুণ-তরুণীর স্বপ্ন।“
তারেক রহমান, আপনার জন্য অপোয় থাকা দেশের জনগণকে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলছেন, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে যেভাবে রুখে দাঁড়ায় আক্রান্ত দুর্বল, বিধ্বস্ত জাহাজ যাত্রীরা আঁকড়ে ধরে ভাসমান পাটাতন; তেমনি একাগ্রতা নিয়ে।
আপনি অভয় দিচ্ছেন, অন্ধকার যত ঘনীভূত হয় ততই উজ্জ্বল হয়
বিপ্লবের সম্ভাবনা, একটি কৃষ্ণ অন্ধকার মানেই সামনে অপেক্ষামান একটি প্রস্ফুটিত সূর্যোদয়। আপনার দুর্ভাগ্য আপনি আধিপত্যবাদী আর চানক্য শক্তির শিখন্ডি শেখ হাসিনা গোষ্ঠীর প্রতিহিংসা ও অপপ্রচার আর তথ্যসন্ত্রাসের নির্মম শিকার। জাতীয়তাবাদী শক্তির অবিসংবাদিত কান্ডারী হিসেবে আপনার প্রশ্নাতীত গ্রহণযোগ্যতা ওদের সুষুপ্তি কেড়ে নিয়েছে। মোহাম্মদী বেগরা প্রাণঘাতী অস্ত্র কোমরে লুকিয়ে ঘুরছে সিরাজদ্দৌলাকে শেষ করার জিঘাংসায়। আপনার জ্যোতির্ময় আলোকে হিংসুকরা জানে রাজনৈতিক পরিমন্ডলে এ প্রজন্মের সবচেয়ে মননশীল, অসামান্য প্রজ্ঞা, কর্মবীরত্ব আর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন একজন নেতার নাম তারেক রহমান।
আপনি জীবন মৃত্যুকে করেছেন পরম ভৃত্য। চির উন্নত শির আপনার। অশুভ শক্তির সাথে আঁতাত করে সমঝোতার বিলাসী ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা না করে লড়ে যাচ্ছেন অবিরাম। সৃষ্টি করেছেন বিরল দেশপ্রেমের অনুপম নিদর্শন। আপনার মহান পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আদর্শের গোড়াপত্তন করে যে গণভিত্তি দিয়েছেন, আপনার মমতাময়ী মাতা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আপোশহীন নেত্রী, দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে ঝান্ডা বহন করে চলেছেন তার ভবিষ্যত কর্নধার আপনি। আপনি তাঁদের ও বাংলাদেশের নয়নের মনি। আপনি দেশ নায়ক। বাংলার মানুষের ভাগ্য বদলের লড়াইয়ের সিপাহসালার।
আর এ কারনেই আপনাকে নিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শক্তি সংঘবদ্ধ এবং বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়েছে সবখানে। এ কারনেই আওয়ামীলীগ এবং নি:শেষ প্রায় বামদের আপনাকে ঠেকাতে এত মাথা ব্যাথা? শুধু আপনার বিরুদ্ধে তথ্যসন্ত্রাস খাতে ওরা বছরে ১৬ কোটি টাকার অধিক ব্যয় করে। তারা দিনে দিনে আপনার প্রধান প্রতিপক্ষ হিসাবে দাড় করিয়েছে তথ্যসন্ত্রাসকে। ভূতুড়ে পেচারা যেমন দিনের আলো সহ্য করতে পারেনা,রাতের ঘুটঘুটে আধারেই তাদের বিচরন। তেমনই আপনার অসম রাস্ট্রনায়ক ব্যক্তিত্বের ঠিকরে পড়া দীপ্তি সহ্য করতে না পেরে অপপ্রচার-প্রপাগান্ডকে বেছে নিয়েছে তারা।
দেশপ্রেমি মানুষের প্রিয় ঠিকানা বিএনপিকে দৃঢ় গণতান্ত্রিক ভিত্তিমূলে দাঁড় করানোর প্রত্যয়ে রাজনীতির মাঠে আবির্ভাবের পর থেকেই আপনাকে নিয়ে শুরু হয় কুচক্রিদের নীলনকশা। তবে ২০০১ এর নির্বাচনে হাওয়া ভবনে আপনার সুসংগঠিত ব্যবস্থাপনা, নির্বাচনী প্রচারণায় তথ্য প্রযুক্তির প্রথম প্রয়োগে বিশাল সাফল্য ও বিজয়ের পর আওয়ামীলীগসহ চানক্যপন্থিদের গায়ে আগুন ধরে যায়। হাওয়া ভবন আর আপনার বিরুদ্ধে আষাঢ়ে গল্পের অপপ্রচারের তুফান শুরু হয়। ষড়যন্ত্রের ডালপালা পল্লবিত হতে থাকে। সেই নীলনকশার ষোলকলা পূর্ণতা পায় ১/১১’র ষড়যন্ত্রকারীদের মাধ্যমে। তথ্য সন্ত্রাস ও মামলা দিয়েই ক্ষ্যন্ত না হয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা আপনার প্রাননাশ করতে কোন রকম অভিযোগ ছাড়াই ২০০৭ সালের ৭ মার্চ জরুরি বিধিমালায় প্রেফতার করে । বর্ববতম নির্যাতনের সঙ্গে নজিরবিহীন এক মিডিয়া-বিদ্বেষের শিকারে পরিনত করা হয় আপনাকে। দলকানা-দলদাশ উচ্ছিষ্ঠভোগী এক শ্রেণীর সাংবাদিক ও কথিত সুশীলসমাজ আওয়ামীদের পাশাপাশি ডিজিএফআইয়ের বানানো প্রতিবেদন ও প্রদত্ত তথ্য গোগ্রাসে গিলেছে আর উগড়েছে। দুর্নীতির কত না গল্প আর ভুয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির খবর ছেপেছে তাদের মিডিয়াগুলো। সেসব অড় হরফের লাল শিরোনাম গণতন্ত্রকেই তবিত করেছে। সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ছিল ওই অপপ্রচার। সেইসব বানানো সংবাদকে ভিত্তি করে হিড়িক পরে রংবেরঙের মিথ্যা মামলা। এসব মামলার ভিত্তি ছিল ‘শোনা গেছে, জানা গেছে, ধারনা করা হচ্ছে” । এখনও বহুমাত্রায় চলছে সেই নোংরা মিথ্যাচার। এখন অনলাইনে আওয়ামী সমর্থক এবং পেইড অ্যাক্টিভিটিস্টরা কোন প্রমাণ তথ্য ছাড়াই ভয়ংকর সব প্রপাগান্ডা কুকুর বিড়ালের মত গন্ডায় গন্ডায় প্রসব করছে।
অবৈধ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় বসার পর থেকে বিদ্বিষ্ট প্রচারণা, আন্তর্জাতিক মহলে আপনাকে বিষিয়ে তোলা, যুক্তরাজ্য থেকে ফেরত আনার জন্য হাস্যকরভাবে মন্ত্রী পাঠানো, লবিয়িং করা, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাকে কাজে লাগানো সহ বহু রকমের কুৎসিত বই প্রকাশ করে চলেছে ওরা । সেনাসমর্থিত সরকারের দুই বছর ও আওয়ামী লীগের গত আট বছরে রাষ্ট্রীয় সর্বশক্তি,টাস্কফোর্স, দুদকসহ সকল সংস্থাই আপনাকে ঘায়েল করার অপচেস্টায় মদমত্ত। দেশের মানুষের কাছে কোন কিছু বিশ্বাসযাগ্য করতে ব্যর্থ হয়ে আদালতকে ব্যবহার করে মিডিয়ায় আপনার বক্তব্য প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যা বাংলাদেশের বিচার বিভাগ এবং আওয়ামী ইতিহাসে কলঙ্কিত কুৎসিত কর্ম হিসেবে বিবেচিত হবে বিবেকবানদের কাছে আজীবন। তারপরও থেমে নেই ওরা। কুচক্রীরা ছুড়ছে অপপ্রচারের বিষাক্ত বাণ। ষড়যন্ত্র এখনও চলছে অবিরত।
আপনার বিরুদ্ধে এই সংঘবদ্ধ মিথ্যা কুৎসিত প্রোপাগান্ডা কেন ছড়ানো হচ্ছে তা জানে, বোঝে বাংলাদেশের প্রতিটি সচেতন মানুষ। তারা জানে শেখ হাসিনা পরিবারের সামনে মুর্তিমান আতংক আপনার বিপুল জনপ্রিয়তা। হাসিনাসহ প্রকাশ্যের এবং অন্তরালের ষড়যন্ত্রকারীরা নিশ্চিত হয়েছে যে, আপনি তাদের একমাত্র পথের কাটা। আপনাকে থামাতে না পারলে আগামী দিনের রাজনীতি তাদের জন্য আঁধারে ঘেরা। আপনাকে রুখে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে শেখ হাসিনা তার পুরনো মিত্র বিভ্রান্ত বামদের হাতে হাত রেখে হাটছে। কারন বামরা বানোয়াট গল্প লেখায় সিদ্ধ। মৃতপ্রায় বামপন্থীরা অস্তিত্বহীনতার হালে পানি আনতে আপনার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপপ্রচারে নেমেছে। শুধুমাত্র এই একটি কাজকে জীব্য করে পরজীবী হিসাবে আজীবন ওরা আওয়ামী উচ্ছিষ্ট খেয়ে বাচতে চায়।
আপনার বিকল্পে দাড় করাতে পারে এমন নেতা নেই দেশে । আওয়ামী লীগ তাদের ভবিষ্যত নেতৃত্বের দেখা না পেলেও জাতীয়তাবাদী শক্তি সেই কাংখিত কান্ডারীর দেখা পেয়ে গেছে। আপনার ওপর আস্থা-নির্ভরতা রেখেছে। বিএনপি ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী সমর্থক গোষ্ঠীর হৃদয়ে আপনার জনপ্রিয়তা যেখানে আসমুদ্র হিমাচলের মতো।
সেখানে হাসিনার উত্তরাধিকারের ভাবমুর্তি দেশের মানুষের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। তাকে ব্যাংক ডাকাত, লুটেরা, অপরিনত বলে বিশ্বাস করে বাংলাদেশের জনগন।
সূর্যালোকের সামনে প্রতিপক্ষ প্রদীপের আলোর মতো। সে কারনে আওয়ামী লীগ ও সেক্যুলার গোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় মাথা ব্যথার কারণ।
বাংলাদেশের সামাজিক কাঠামোর প্রতিটি স্তরে বিএনপির অবস্থান অনেক শক্ত। তাই আধিপত্যবাদিরা বিএনপির নেতৃত্ব ধ্বংস করে দিতে চায়। যারা আপনার পিতা হত্যার নেপথ্যশক্তি তারা যানে আপনার অমিত শক্তির খবর। সেই আন্তর্জাতিক রাজনীতির অপশক্তি যেকোনভাবে আপনাকে রুখে দিতে অপপ্রচারে ইন্ধন যুগিয়ে আসছে।
আপনি অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বহুবার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, আপনার বিরুদ্ধে যত অপপ্রচার চলছে তা প্রমাণ করতে পারলে আপনি আর রাজনীতি করবেন না। কিন্তু সেই চ্যালেঞ্জ তারা গ্রহন করেনি । কারন তারা তথ্য সন্ত্রাস চালাচ্ছে, যার পুরোটাই ঈর্ষা-প্রতিহিংসায় ভরা। মিথ্যার বেসাতি। এটা জানে দেশের প্রতিটি মানুষ । জনগন এই তথ্যসন্ত্রাসিদের ভ্রুকূটি করে। আপনার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার অপপ্রচার কুৎসায় সাধারন মানুষ ক্ষুব্ধ হয়,বিরক্ত হয়।
তথ্য সন্ত্রাসিদের তত্বগুরু হিটলারের মন্ত্রী জোসেফ গোয়েবলস। সে তত্ত্ব
প্রচার করেছিলেন- If you tell a lie big enough and keep repeating it,people will eventually come to believe it’ আওয়ামী লীগ এই প্রোপাগান্ডা তত্ত্বের সর্বাধিক প্রয়োগ করে চলেছে আপনার ওপর। আন্তর্জাতিক রাজনীতির কুশীলব এবং মিডিয়ার একটি বড় অংশ আওয়ামীলীগের গোয়েবলসীয় এই অপপ্রচারকে প্রতিষ্ঠিত করতে ভূমিকা রাখছে । কিন্তু বেঘোরে থাকা এই অর্বাচিনরা উপলব্ধি করেনা যে, আজ থেকে আশি বছর আগে প্রচারিত গোয়েবলসের তত্ব এই তথ্যপ্রযুক্তির ধাবমান কালে গ্লোবাল ভিলেজে অচল। ওটা এখন অকেজো-সেকেলে। হাতে হাতে মাল্টিমিডিয়া, সেল ফোন,ফেসবুক,নেট দুনিয়া। প্রপাগান্ডার কারখানা ধোপে টিকেনা বর্তমান সময়ে। যারা তথ্যসন্ত্রাস করছে তাদের প্রতিপক্ষ এখন ঘরে ঘরে। স্ক্রীন বাটন চেপেই তীর্যক তীব্র ভাষায় জবাব দিচ্ছে তারাই। তাদেরকে ঠেকাতে প্রতিনিয়ত তৈরী করছে বাকশালীয় কালো আইন।
বাস্তবতা হলো-পৃথিবীর রাজনৈতিক ইতিহাসে জাতীয়তাবাদী সকল নেতৃত্বকে আপনার মতোই অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে। আপনি দূর পরবাসে থাকলেও বাংলাদেশের অন্তরজুড়ে আপনি। গোটা পৃথিবীতে আপনি বিরল ভাগ্যের অধিকারী। একজন স্বাধীনতা ঘোষকের সন্তান, একজন সেনা প্রধানের সন্তান, একজন প্রেসিডেন্টের সন্তান, একজন প্রধানমন্ত্রীর সন্তান, তাঁদের সুযোগ্য উত্তরাধিকারী আপনি। পিতার বীরত্ব, সততা, কর্মনিষ্ঠাই আপনার পাথেয় আর মমতাময়ী মায়ের আপোষহীন রাজনীতির বর্নমালায় উৎকীর্ন আপনার মহাজীবন।
গনমানুষের প্রানাধিক আপনি, দেশপ্রেমী জন মানুষের প্রানোৎসারিত নিখাদ ভালোবাসার সামনে সব অপশক্তি তুচ্ছ। সামনে এখন আলোয় আলোয় আধার কাটার দিন আসছে। প্রিয় বাংলাদেশ আপনাকে ডাকছে হাত বাড়িয়ে। যেদিন ফিরবেন দেখবেন মানুষের ভালোবাসা,উর্মিমুখর প্লাবন, প্রিয় নেতাকে কাছে পাবার আনান্দ অশ্রু। পুরো বাংলাদেশ ভেঙ্গে পড়বে ঢাকার বিমান বন্দরে।

“সকল কাঁটা ধন্য করে ফুটবে ফুল ফুটবে।
সকল ব্যথা রঙিন হয়ে গোলাপ হয়ে উঠবে।
অনেক দিনের আকাশ-চাওয়া আসবে ছুটে দখিন-হাওয়া,
হৃদয় আপনার আকুল করে সুগন্ধধন লুটবে….”।

লেখক সাংবাদিক

 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1210 বার
 
 
 
 
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও তারেক রহমান
 
 
 
 

সব মেনু এক সাথে

 
 

পূর্বের সংবাদ

 
 

অনন্য অনলাইন পত্রিকা

 
 
 

 
Plugin by:aAM
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com