চিল, শকুন আর কিছু মানুষের গল্প

মার্চ ২৬, ২০১৮ ১২:৪৪ অপরাহ্ণ

:: মোক্তার সাহেব হাউজিং সোসাইটি র সেক্রেটারি। খুব ই সজ্জন লোক। এতো হাসিখুশি মানুষ বিরল। রাস্তাঘাট এ যে কারো সাথে দেখা হলে উনি চমৎকার ভাবে সালাম দেন, তার ভালো মন্দ জানতে চান। উনি সেক্রেটারি হবার পর মসজিদ টা ছাপড়া একতলা থেকে তিন তলা হয়েছে। একটা শপিং সেন্টার হয়েছে। উনি গরীব দের জন্য একটা সমবায় সমিতি করেছেন।

মোক্তার সাহেব মাটির মানুষ। যে কোনো লোকের বিপদে প্রথম যে মানুষ টা এগিয়ে আসেন, উনি মোক্তার সাহেব।

নিজের তেমন কিছুই নেই। একটা দুই তলা বাড়ি। যার বাইরে রঙ করা হয় নাই। তার দুই ছেলে মেয়ে। দুই জন ই প্রতিষ্ঠিত। যে যার সংসার করছে। তার স্ত্রী কে নিয়ে ই তার ছোট্ট সংসার।

আজ স্বাধীনতা দিবস, মোক্তার সাহেব মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। যুদ্ধে তার পায়ে গুলি লেগেছে। যার জন্য এখনো তিনি খুঁড়িয়ে হাটেন। তার এই নিয়ে কষ্ট নেই। দেশ টা তো স্বাধীন হয়েছে! এটা ই অনেক আনন্দের ব্যাপার। সোসাইটি তে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে একটা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তিনি। কথা বলতে তেমন পছন্দ করেন না মোক্তার সাহেব। এতো মানুষের সামনে কি কথা বলবেন, উনি ভেবে পান না। তবু ও বলতে হয়। যুদ্ধ নিয়ে উনি কিছু বলতে পারেন না। ডায়াসে দাঁড়িয়ে কিছু বলতে গিয়ে উনার গলা ধরে গেলো। বয়েস হয়েছে, আবেগ আজ কাল তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে। চোখ দিয়ে পানি চলে আসে। উনি শুধু ধরা গলায় স্পষ্ট কন্ঠে বললেন, “এ দেশ আমাদের মা, আমাদের মা এর সন্মান আমাদের রক্ষা করতে হবে।”

মোক্তার সাহেব প্রতি টা কাজ নিজের হাতে তদারক করেন। পাড়ায় কোনো মেয়ের অসন্মানের বিচার সে নিজের হাতে করেন। তার কথা মেয়ে দের মানুষ হিসেবে দেখতে হবে। তারা এই সমাজের মূল ভিত্তি।

মোক্তার সাহেবের কথা সবার মুখে মুখে ফেরে। এই সমাজে কেনো আরো মোক্তার সাহেব নেই! তাহলে দেশ টা আরো এগিয়ে যেতো!

উনি বারান্দায় আধশোয়া হয়ে ইজি চেয়ারে রেস্ট নিচ্ছেন। বারান্দা থেকে দেখছেন কতগুলো ছোট্ট বাচ্চা মাঠে খেলছে। মাঠ টা খুব নোংরা। মাঠ টা ঠিক করতে হবে। বাচ্চা রা আনন্দ করে খেলবে। দেখতেও ভালো লাগবে। উনার পাশে অ্যাসিস্টেন্ট সোহরাব। বেশী কথা বলা মানুষ। একটা কিছু বললে দশ টা কথা বলবে।

মোক্তার সাহেবের স্ত্রীর মানসিক সমস্যা আছে। স্ত্রী রাবেয়া কে ঘরে আটকে রাখতে হয়। মাঝে মাঝে জানালা দিয়ে মোক্তার সাহেব স্ত্রী কে ডাকলে কেমন জান্তব চিৎকার করে উঠে। অনেক ডাক্তার দেখানো হয়েছে। লাভ হচ্ছে না। তাকে দেখাশুনা করে মোক্তার সাহেবের এক দূর সম্পর্কের ভাগ্নী। মেয়ে তো চলে গেছে স্বামীর সংসারে। এখন এই ভাগ্নী ই তার মেয়ে। এই নিলু মেয়ে টা চমৎকার করে সব কিছু গুছিয়ে রাখে।

নিলু কে ডাক দিলেন মোক্তার সাহেব। মেয়ে টা তাকে অসম্ভব ভয় পায়। কেনো এতো ভয় পায়! উনি তো কখনো উচু গলায় কথা বলে না!!

রাবেয়া ও মেয়ে টা কে একে বারেই পছন্দ করে না। তবুও মেয়ে টা সব কিছু দেখে শুনে রাখে।

রাত হলো। মোক্তার সাহেব শুয়ে পড়লেন। বয়েস হয়েছে। তাড়াতাড়ি ঘুমানো দরকার। পাতলা পাঞ্জাবী আর লুঙ্গি পড়ে উনি বিছানায় গা এলিয়ে দিলেন। কেমন যেনো অধৈর্য লাগছে, মন টা আজ বড়ো ই অশান্ত।

দড়জায় টোকা পড়লো।

এই অসভ্য মেয়ে টা জানে দড়জা খোলা ই আছে, তবুও প্রতি দিন টোকা দিতে হবে। আজ তাকে উচিৎ শিক্ষা দিতে হবে। মোক্তার সাহেব গজ গজ করতে করতে দড়জার দিকে এগুলেন। “ওই মাগী! এতো দেরী লাগে! কতক্ষন তোর জন্য উঠায়া রাখসি! শালী তাড়াতাড়ি খোল!”

মেয়ে টা মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে আছে। তার চোখে আজ কাল পানিও আসে না। চোখের পানি শুকিয়ে গেছে। নিলু মেয়ে টার বয়েস কতো? ২১/২২? কিন্তু ওর শরীর টা এখন একটা বৃদ্ধার শরীর। মন টা পচে গেছে। মোক্তার সাহেব দ্রুত ঝাপিয়ে পরলেন!

দিনের পর দিন এভাবেই চলছে।

মেয়ে টার যাওয়ার যায়গা নাই। পালিয়ে গিয়েছিলো দুই বার। প্রথম বার মোক্তার সাহেব ওকে ধরে এনে শাসিয়ে দিলো যে তার মা বাবা এই দুনিয়া তে থাকবে না।

তীব্র যন্ত্রণা সহ্য না করতে পেরে দ্বিতীয় বার পালিয়ে যেতে গিয়ে মোক্তার তার মা কে খুন করে ফেলে।

মোক্তার সাহেবের হাত অনেক অনেক দূর পর্যন্ত। নিলু ঠিক করেছে সে আজ বিষ খেয়ে মরে যাবে। মরতে বড় ভয় করে। মাঝে মাঝে স্বপ্ন দেখে কোনো রাজপুত্র তাকে এই নরক থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাবে।

কোনো রাজপুত্র আসে না। মোক্তার সাহেবের স্ত্রী রাবেয়ার কাছ থেকে ও শুনেছে। মোক্তার সাহেবের ভয়ঙ্কর পৈশাচিক কাহিনী।

১৯৭১ সালে মোক্তার ছিলো শান্তি বাহিনীর কমান্ডার। তার কাজ ছিলো সুন্দরী মেয়ে দের খুজে বের করে পাকিস্তানি দের হাতে তুলে দেয়া। যখন পাকিস্তানি কমান্ডার কে সে দাওয়াত করলো, পাকিস্তানি কমান্ডারের পছন্দ হলো রাবেয়া কে। মোক্তার কমান্ডার কে রেখে বাড়ি থেকে চলে গেলো। সারা রাত চল্লো নির্যাতন। এরপর আরো। এরপর আরো। আরো।

মোক্তারের পায়ে গুলি করেছিলো রাবেয়ার ভাই। মেরে ফেলতে চেয়েছিলো, কিন্তু গুলি টা পায়ে লেগেছিলো। এরপর রাবেয়ার ভাই কে ধরে নিয়ে ক্যাম্পে জবাই করা হয়। এরপর রাবেয়ার সামনে টুকরো টুকরো করা হয়।

মানসিক ভাবে ভারসাম্যহীন রাবেয়া কে এরপর ও জোড় করে মিলিটারি ক্যাম্পে পাঠানো হতো।

আজ মোক্তার মুক্তিযোদ্ধা। সমাজসেবী। পরহেজগার।

কিন্তু মুখোশের আড়ালে সে একটা লম্পট নরপিশাচ।

সে পাড়ার সুন্দরী মেয়ে মহিলা, যাদের পছন্দ হয়, তাদের তার আস্তানায় এনে নিজের পরিচয় গোপন করে পাশবিক নির্যাতন চালায়। এটা তার একধরনের বিকৃত খেলা। এতে সে আনন্দ পায়।

মোক্তারের ৭১ এর স্মৃতি মনে পড়ে, পাকিস্তানী জোয়ান রা কী সুন্দর সোহবত করতো। মেয়ে গুলো কষ্টে চিৎকার করতো। মোক্তার আনন্দিত কন্ঠে বলতো, “মাশাল্লাহ, এই হিন্দু দেশের মাইয়া লোক গুলা আইজ পবিত্র হইতাসে।”

পাকিস্তানি কমান্ডার এক বার বলেছিলো, “ইয়ার মুক্তার! হাম মা আউর লাড়কি কো এক সাথ মোহাব্বাত কারনা চাহতা হুন”

মোক্তার সেটার ও ব্যাবস্থা করেছিলো। কত কত মুক্তিবাহিনীর ছেলে গুলা রে নিজের হাতে জবাই করেছিলো!!! সব চেয়ে আরাম পেয়েছিলো একটা নতুন বিয়ে করা মুক্তি যোদ্ধা কে গুলি করে। মরার পর তার পকেটে তার বউ এর ছবি দেখে মোক্তারের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। কোথায় আছে এই নতুন বউ টা!!!

আর সব চেয়ে মেজাজ খারাপ হয়েছিলো ১৩/১৪ বছরের এক।বিচ্ছু মুক্তিযোদ্ধা কে জবাই করে। কুরবানির গরুর মতো শুইয়ে যখন তার গলার উপর ছুরি ধরে বলা হলো, “বল হারামী, পাকিস্তান জিন্দাবাদ!”

সে চাপা গলায় চোখ গরম করে বল্লো, “জয় বাংলা” – পিচ্চি হারামজাদা টা কে জবাই করার সময় ও তার চোখে একটু ভয় ও ছিলো না।

যুদ্ধের পর মোক্তার তওবা কাটে। যা হবার হইসে, এখন সাচ্চা পাকিস্তানি থেকে সাচ্চা বাঙালী হইতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যাওয়া খুব কঠিন না। তার খুন খারাপির ইতিহাস ৭১ এ ই চাপা পড়ে গেছে। দশ লাখের কিছু বেশি মেয়ে, মহিলা ধর্ষিতা হয়েছিলো। তার সাহায্যে হয়েছিল বড়জোড় ৫০০।

মুক্তিযোদ্ধা খুন করেছিলো বড়জোড় ১০০ আর ১০/১৫ জন ডাক্তার, উকিল, ইঞ্জিনিয়ার কে খুন করা হয়েছিলো।

এ তেমন কিছুই না। সব ঢেকে গেছে। পবিত্র হয়ে গেছে। সে এখন সাচ্চা বাংলাদেশী। পরহেজগার, সমাজ সেবী।

সে ৭১ এ ১০০ মুক্তিযোদ্ধা খুন করেনি, ১০০ পাকিস্তানি কে নিজের হাতে মেরেছে। ৫০০ মেয়ে কে সম্ভ্রমহানি থেকে রক্ষা করেছে ভাই এর মতো, ১০/১৫ জন বুদ্ধিজীবী কে নিজের জীবন বাজী রেখে রক্ষা করেছে।

এই গল্প গুলো যখন সে করে, চোখ দিয়ে ঝরঝর করে পানি চলে আসে। বেশীক্ষণ এইসব কথা বলতে পারে না। এই মাতৃভূমি কে রক্ষার জন্য সে জীবন দিতে পারে।

কিন্তু তার লিঙ্গ টা তার কথা শোনে না। সুন্দরী মেয়ে দেখলে আর সহ্য করতে পারে না। সেই ৭১ এর তৃপ্তিময় স্মৃতি মনে পড়ে যায়, আবার সে যুবক হয়ে যায়। সেই মেয়ে ১০ বছরের হোক, বা ৪০ বছরের হোক। তার আস্তানায় নিয়ে নিজের মুখ টা ঢেকে পুরুষত্ব টা ভালো মতো মিটিয়ে উপরের দিকে তাকিয়ে বলে, “খোদা, ক্ষমা করে দিও”

মোক্তার আজ ও নিলুর নিথর দেহের উপর থেকে উঠে বসে বল্লো, “আলহামদুলিল্লাহ, খোদা ক্ষমা করে দিও”

এরপর নিলু কে কোমল গলায় বল্লো, “তোমার সাথে ব্যাবহার টা খারাপ করেছি, আর এ ভাবে দেরী কইরো না। এরপর দেরী করলে আমার কুত্তা বাহিনীর কাছে ছাইড়া দিবো। তখন বুঝবা, কষ্ট কারে বলে, এখন ঘুমাইতে যাও, তোমার মামী রে একটু দেইখা যাও, তার কিছু লাগবো কিনা। তারে কিন্তু আমি অসম্ভব পেয়ার করি”

পেয়ার করি কথা টা বলতেই মোক্তার সাহেবের চোখে আবার পানি চলে এলো। রাবেয়া কি লক্ষী একটা বউ ছিলো! সংসারের সব কাজ নিখুঁত ভাবে দেখে শুনে রাখতো। মোক্তার সাহেব কে অনেক পেয়ার করতো।।মোক্তার সাহেব ও কি কম পেয়ার করতো! না হয় পাকিস্তানি কমান্ডারের সাধ পূর্ণ করা লেগেছে। তাতে সমস্যা কি! সাচ্চা দিল থেকে ভালোবাসলে শরীর আর কি! মোক্তার সাহেব তো রাবেয়া কে ছেড়ে দেয়নি। রাবেয়ার সাথে যা হয়েছে, তাতে রাবেয়া পবিত্র হয়েছে।

পাক সার জামিন শাদ বাদ!!! এই রক্ত গরম করা গান টা এখনো বুকে ধাক্কা লাগায়। ইস! কী সমস্যা!

নীলু রাবেয়ার ঘরে গেলো, রাবেয়া হাসছে। কেমন অপার্থিব লাগছে রাবেয়ার হাসি। “কি রে, মজা পাইসস! অনেক মজা! তাই না! আমারেও অই কুত্তার বাচ্চা পাকিস্তানি রা মজা দিসিলো! শুনবি? কেমনে কেমনে করসিলো শুনবি! আরো লোক জন লইয়া আয়, সবাইরে শুনাই।। মুক্তারের মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী শুনাই।”

নীলুর তীব্র কষ্ট হচ্ছে। তার ঘুম আসছে না। বার বার মনে হচ্ছে মাছ কাটার বড় বটি টা দিয়ে মানুষ টার মাথা আলাদা করে দিতে। কিন্তু নীলুর সেই শক্তি টা ও নেই। শরীরের সাথে আজ তার মন টা ও ক্লান্ত।

——–

অ্যাসিস্ট্যান্ট সোহরাব মাথা নিচু করে বসে আছে। মোক্তার কিছু অস্ত্র চট্টগ্রামের এক কলেজে পাঠাবে। তার বাহিনীর অবস্থা পড়ে গেসে, একটু উঠানো দরকার। সোহরাব কাজ টা করতে পারে নাই। বরং পুলিশ এখন ১০ লাখ চাচ্ছে। মোক্তার সাহেবের ইচ্ছা করছে সোহরাবের পাছায় লাথি মারতে। কিন্তু তার প্ল্যান অন্য। সে সোহরাব কে সরিয়ে ফেলতে চায়। ব্যাটা অনেক বেশী কিছু জেনে গেছে। পর পর তিন বার অস্ত্র চালান ঠিক মতো হলো না। তার কঠিন বিশ্বাস এর পেছনে এই বোকা চেহারার সোহরাব দায়ী।

নাহ আর দেরী করা যায় না। সোহরাবের বোন টা ও মাশাল্লাহ বেশ। তাকেও আনতে হবে। বেশ ভালো লাগছে ব্যাপার টা ভাবতে। কাজ টা সোহরাবের সামনে করলে কেমন হয়? উত্তেজনায় মোক্তার সাহেবের পা কাঁপছে। সে সোহরাবের দিকে এক দৃষ্টি তে তাকিয়ে সিগারেটে টান দিলো।

——

মোক্তার সাহেবের লাশ টা আড়াআড়ি বারান্দায় পড়ে আছে। গলা টা পুরোপুরি আলাদা। রক্তে ভেসে যাচ্ছে বারান্দা।

মানুষ জন ভীড় করে ফেলেছে। পুলিশ এলো। পাড়ার মানুষ জন কাদছে। হৈচৈ পড়ে গেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, পরহেজগার, সমাজসেবক, একজন আলোকিত মানুষ তাদের মাঝে নেই। সবার মন আজ বিষণ্ণ।

লাশের পাশে সোহরাব স্থির বসে আছে। তার চোখের পাতা ও পড়ছে না। মুখের ভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছে সে থুথু ফেলতে চাচ্ছে। নীলু আতঙ্কিত দৃষ্টি তে তাকিয়ে আছে। তার ঠোট কাঁপছে। মোক্তারের বিচ্ছিন্ন মাথা টা এক হাত দূরে পড়ে আছে। জানালা দিয়ে রাবেয়া চিৎকার করছে, “মুক্তিযোদ্ধা মোক্তার শহীদ হইসে, তোমরা কলমা পড়। মুক্তিযোদ্ধার শইল ডা পতাকা দিয়া ঢাকো না ক্যান!!!

পুলিশ মোক্তার সাহেবের অস্ত্র ব্যাবসা আর নারী ধর্ষনের প্রমান পেয়েছে। মানুষ জন স্তব্ধ। পুলিশের ধারনা অন্তর্দলীয় শত্রুতার কারনে এই অবস্থা।

মোক্তার সাহেবের নিথর দেহ টার দিকে সবাই তাকিয়ে আছে। রক্তের ধারা গড়িয়ে বাগান পর্যন্ত চলে গেছে। দুই টা বেওয়ারিশ কুকুর চেটে চেটে রক্ত খাচ্ছে।

রাবেয়া খুশি মনে লাশ টার দিকে তাকিয়ে আছে, শেষ বিকেলের সূর্যের আলো জানালা গলে তার মুখে সোনালী আভা ছড়াচ্ছে।

(C) সাব্বির ইমন
মোহাম্মাদপুর, ২০১৮

 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1235 বার
 
 
 
 
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও তারেক রহমান
 
 
 
 

সব মেনু এক সাথে

 
 

পূর্বের সংবাদ

 
 

অনন্য অনলাইন পত্রিকা

 
 
 

 
Plugin by:aAM
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com