গৃহকর্মী থেকে মাইক্রোসফটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর!

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৮ ১:৩৯ অপরাহ্ণ

গৃহকর্মী থেকে হয়ে গেলেন মাইক্রোসফটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর! এমনও কি সম্ভব? গল্পের মতো শোনালেও বিষয়টি সত্যি হয়েছে কুড়িগ্রামের ফাতেমার বেলায়। বাল্যবিয়ের হাত থেকে মুক্ত হওয়া এই কিশোরী এখন জগৎখ্যাত প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি। স্বপ্ন দেখে বড় হয়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নারীদের অগ্রগতিতে অবদান রাখার

কুড়িগ্রামের নিভৃত পল্লী নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা গ্রামের মেয়ে ফাতেমা। রীতিমত জীবনযুদ্ধে জয়ী। সদিচ্ছা থাকলে যে অনেক কিছুই করা সম্ভব, তারই যেন জ্বলন্ত উদাহরণ।

অভাবের সংসারে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় একটি বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ নেয় ফাতেমা। দুই বছর পর হঠাৎ ডাক আসে বাড়ি থেকে। হাসিমুখে গিয়ে ফাতেমা দেখে, তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে ফাতেমার। বাল্যবিয়ের হাত থেকে তাকে রক্ষায় এগিয়ে আসে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের সংগঠন ‘আশার আলোর পাঠশালা’র প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিত বর্মণ। ফাতেমার বাবা-মাকে বুঝিয়ে তার লেখাপড়ার দায়িত্বও নেয় তারা। গল্পের শুরুটাও এখান থেকেই।

লেখাপড়ার পাশাপাশি স্থানীয় ওয়ার্ল্ড উইনার আইটি পাঠশালা থেকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নেয় ফাতেমা। হঠাৎ একদিন মাইক্রোসফটের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা স্কুল পরিদর্শনে এসে ফাতেমার অদম্য প্রাণশক্তির গল্প শোনেন। ব্যাস, পাল্টে যায় কিশোরী ফাতেমার জীবন। তাকে মনোনীত করেন মাইক্রোসফটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে।

ফাতেমা খাতুন জানান, তার স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা করে বড় হবে। তিনি বলেন, বিশ্বজিত স্যার আমাকে তথ্য প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে পরিচয় করে দিয়েছেন। আমার স্বপ্ন বড় হয়ে নারীদের আইটি শিক্ষায় অবদান রাখবো।

ওয়ার্ল্ড উইনার আইটি পাঠশালার প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিত বর্মন বলেন, আমরা চেষ্টা করেছি ফাতেমাকে পড়াশোনার পাশাপাশি আইটি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সময়োপযোগী প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলায় আমাদের লক্ষ্য।

ফাতেমাকে নিয়ে একটি ডকুমেন্টরিও করেছে মাইক্রোসফট। যেখানে তুলে ধরা হয়েছে উঠেছে তার উৎসাহ আর জীবনযুদ্ধের গল্প। সূত্র: যমুনা টিভি

 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1106 বার
 
 
 
 
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও তারেক রহমান
 
 
 
 

সব মেনু এক সাথে

 
 

পূর্বের সংবাদ

 
 

অনন্য অনলাইন পত্রিকা

 
 
 

 
Plugin by:aAM
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com