খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের কপি পড়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন ডক্টর কামাল হোসেন : অপপ্রচারে নেমেছে দালাল মিডিয়া

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৮ ৭:৩০ অপরাহ্ণ

:: বিশেষ প্রতিবেদক॥ গণফোরাম সভাপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবী ডক্টর কামাল হোসেনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার সকালে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে এই মতবিনিময় শোভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিএনপি মহাসচিব বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলমান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা নিয়ে ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে আইনগত বিষয়ে আলাপ করেন। এই সাক্ষাতের বিষয় নিয়ে কতিপয় আওয়ামী মিডিয়ার গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। তারা শুরু করেছে অপপ্রচার। বাস্তবতা হচ্ছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী হিসেবে আপিল শুনানিতে থাকার অনুরোধ ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে সরকার সমর্থক বিভিন্ন পত্রিকা এবং অনলাইন পোর্টালগুলো যে খবর প্রকাশ করেছে তা সঠিক নয়। ড. কামাল হোসেনের বক্তব্য না নিয়ে সাংবাদিক নামধারী কতিপয় আওয়ামী দুর্বৃত্ত যে যার মত মনগড়া প্রতিবেদন তৈরী করে রিপোর্ট প্রকাশ করছেন। যা প্রকারান্তরে সত্যের অপলাপ এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ড. কামাল হোসেন এই প্রসঙ্গে কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বলেন। ড. কামাল হোসেন বলেন, উনারা (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং খালেদা জিয়ার কয়েকজন আইনজীবি) আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দেওয়া বিশেষ আদালতের রায়ের কপি আমাকে দিয়ে তারা বলেছেন যে, এ ব্যাপারে আপনার আইনগত দহযোগিতা ও পরামর্শ চাই। আমি বলেছি,আমি ক্রিমিনাল কেস কম বুঝি। তবে আমি এই কেসে না লড়লেও আমার সাধ্যমতো উপদেশ-পরামর্শ দেবো। রায়ের কপি রেখেছি। পুরো মামলার খোঁজখবর নিয়েছি। বেশ বড় রায়। এই রায়টা পড়তে আমার দুই-তিন দিন সময় লাগবে। রায় পড়ে আমি তাদেরকে উপদেশ দিবো’। ‘ড. কামাল হোসেন বলেন, আমি উনাদেরকে বলেছি,সবাইকে সামনে থাকতে হয় না। পেছনে থেকেও কারো কারো বড় ভুমিকা রাখতে হয়। আমি পেছনে আছি। সাহস হারালে চলবেনা।আমি মামলায় না লড়েও কাজ করতে পারবো। ক্রিমিনাল ল’তে অভিজ্ঞ আইনজীবী, দল ও দলের বাইরে প্রত্যেককে নিয়েই কাজ করতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে’। ড. কামাল হোসেন বলেন,এসব মামলায় অহরহ জামিন হয় উচ্চ আদালতে। কিন্তু খালেদা জিয়াকে দেয়া হয়নি। তিনি ক্রিমিনাল নন । তার প্রতি অবিচার করা হচ্ছে। অযথা সময় ক্ষেপন করা হচ্ছে। ড. কামালের সাথে সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন এমন একজন আইনজীবি অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ড. কামাল হোসেন খুবই ইতিবাচক ছিলেন। পুরো মামলার খোঁজখবর নিয়েছেন। আমরা বিস্তারিত বলার পর, তিনি বললেন, সাজা হলো কীভাবে। যে প্রমাণ আছে, বক্তব্য আছে, তাতে তো এটা হওয়ার কথা না। তিনি পুরোটা শুনে দুঃখ প্রকাশ করলেন। সহানুভূতি প্রকাশ করলেন। তারপর তিনি ফাইলটা রেখেছেন। তিনি ফাইল পড়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।

 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1171 বার
 
 
 
 
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও তারেক রহমান
 
 
 
 

সব মেনু এক সাথে

 
 

পূর্বের সংবাদ

 
 

অনন্য অনলাইন পত্রিকা

 
 
 

 
Plugin by:aAM
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com