কারাগারে অসুস্থ দেশনেত্রী

মার্চ ২৮, ২০১৮ ১২:৫৩ অপরাহ্ণ

:: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আগামী ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়েছেন আদালত। আজ আদলতে তাকে হাজির করার কথা থাকলেও সরকারি আইনজীবী জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া কারাগারে অসুস্থ থাকায় হাজির করা সম্ভব হয়নি।
বুধবার ঢাকার বকশীবাজারে আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।
আজ খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা হয়নি; তাকে ছাড়াই আদালত বসে।
ঢাকা মহানগর সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবদুলাহ আবু বলেন, খালেদা জিয়াকে আজ আদালতে হাজির করার সকল প্রস্তুতি আমাদের ছিল কিন্তু কারাগারের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন খালেদা জিয়া অসুস্থ। তাকে বাইরে বের করা যাবে না। তাই সকল প্রস্তুতি নেয়ার পরও আজ তাকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, দুইজন আসামি অনুপস্থিত। এরমধ্যে একজন খালেদা জিয়া। কি কারণে তিনি আসেনি এটা আমার জানা নেই। এটা কারা কর্তৃপক্ষ বলতে পারবে। অনিবার্য কারণে তাকে আনা হয়নি।
শুনানিকালে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া তার জামিন বাড়ানোর আবেদন করলে মোশাররফ হোসেন কাজল বিরোধিতা করেন।
কাজল বলেন, খালেদা জিয়া অন্য একটি মামলায় কারাগারে আছেন। কারাগারে থাকার কারণে তার জামিনের কোনো সুযোগ নেই। তখন সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, জামিনের সাথে কারাগারে থাকা বা না থাকার কোনো সম্পর্ক নেই।
ড. আখতারুজ্জামান বলেন, আগামীকালও এ মামলার শুনানির দিন ছিল। কিন্তু শুনানি হবে না। আগামী ৫ এপ্রিল এ মামলার শুনানির দিন ধার্য হলো। একই সাথে ওই দিন পর্যন্ত খালেদা জিয়া এই মামলার জামিনে থাকবেন।
অপর দিকে গত ১৩ মার্চ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ২৮ ও ২৯ মার্চ খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন বিশেষ জজ আদালত।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট্রের নামে আসা ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগষ্ট তেজগাঁও থানায় এ মামলা দায়ের করে দুদক। তদন্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চার জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের কারাগারে বন্দি রয়েছেন খালেদা জিয়া। এ মামলায় অন্য আসামিদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
এ মামলায় খালেদা জিয়ার ছেলে ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।
উৎসঃ অনলাইন বাংলাঃ

 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1094 বার
 
 
 
 
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও তারেক রহমান
 
 
 
 

সব মেনু এক সাথে

 
 

পূর্বের সংবাদ

 
 

অনন্য অনলাইন পত্রিকা

 
 
 

 
Plugin by:aAM
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com