একদিন এদের এই মুখোশ হ্যাঁচকা টান দিয়ে খুলে ফেলবে জনতা

জানুয়ারি ২৩, ২০১৮ ১:০৯ পূর্বাহ্ণ

:: ‘ডেসটিনি’ নামের একটি কোম্পানি ছিলো, মনে আছে? আমার এক ফ্রেন্ড ছিলো নাম আনিস।একদিন চায়ের দোকানে বসে মাত্র সাড়ে তিন হাজার টাকা দিয়ে মাসে লাখ টাকা কামানোর উপায় এঁকে দেখালো।ওর কথায় মুগ্ধ হয়ে পরের দিন গলায় টাই লাগিয়ে চলে গেলাম ‘ডেসটিনি’র পল্টন অফিসে। অফিসে প্রবেশ করে দেখলাম এলাহী কারবার। কি নাই ডেসটিনির?
বিমান থেকে শুরু করে টিভি চ্যানেল সবই আছে তাদের।অফিসের ভিতরে বড় বড় চোখ নিয়ে ঘুরে ঘুরে দেখছি।একটা রুমে উঁকি দিয়ে চোখ আরো বড় হয়ে গেলো। চোখের সামনে বসে আছে টিভি পর্দায় দেখা সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল।বৈশাখী চ্যানেলের তখন খুব বড় সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল।
এত বড় একজন সাংবাদিক কে যখন দেখলাম ‘ডেসটিনি’ কোম্পানির সাথে জড়িত আছে। তাই চোখ বন্ধ করে সেদিন সাড়ে তিন হাজার টাকা দিয়ে লাখো পতি হওয়ার ব্যাবসায় নাম লিখিয়ে ফেললাম।
একদিন ডেসটিনি ডুবে গেলো,সেই সাথে ডুবে গেলো আমার মত লাখো মানুষের টাকা। কিন্তু লাখো মানুষের টাকা আত্মসাতের সাথে সরাসরি জড়িত মঞ্জুরুরল আহসান বুলবুলদের কিছুই হইলো না।

সাগর-রুনি নামের দুইজন সাংবাদিক ছিলো।তাদের হত্যার বিচারের দাবীতে কোন একসময় প্রেস ক্লাবের সামনে সাংবাদিকদের আন্দোলন হইত।সাগর-রুনির হত্যার বিচার আজ পর্যন্ত না হলেও। সেই বিচারের দাবীতে রাস্তায় নামা ইকবাল সোবহান চৌধুরী হয়ে গেলেন ‘তথ্য উপদেষ্টা’ এবং মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল হয়ে গেলেন একুশে টিভির সিইও!

হাতির দেখানো দাঁত আর খাওয়ার দাঁত যেমন আলাদা হয়,তেমনি
পর্দার সামনের বুলবুল আর পর্দার পিছনের বুলবুল একই জিনিস না।
দেশের মানুষ আজ বুঝতে শিখেছে,টিভি পর্দায় নীতিকথা দিয়ে টকশো উপস্থাপনা করা অঞ্জন রয় আর বাস্তবের অঞ্জন রয় এক মানুষ না।

যে বুলবুল বিরোধী দলের কর্মসূচিতে পুলিশের গুলি বর্ষন করাকে জননিরাপত্তার দোহাই দেখিয়ে জায়েজ করতে চেষ্টা করতো।
সেই বুলবুল রঙ সাইডে গাড়ি চালিয়ে পুলিশ দ্বারা বাধাগ্রস্থ হয়ে এখন ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে পুলিশ কে বলছে “পোশাকধারী মাস্তান”।

মুক্তিযুদ্ধের দোহাই দিয়ে মুক্তচিন্তা আর মুক্তবুদ্ধির বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখায় অঞ্জন রয়। আজ সেই অঞ্জন রয় এসে মঞ্জুরুল আহসান বুলবুলের ফেসবুক স্ট্যাটাসে মন্তব্য করছে,
– বুলবুলের ঘটনা মোবাইলে ধারণ করে ফেসবুকে আপলোড কারীর আইপি এড্রেস খুজে বের করে তাকে গ্রেপ্তার করা উচিৎ!

এই বাংলাদেশের ঘাড়ে চেপে বসা সকল দূর্ভোগের প্রতক্ষ্য মদদদাতা হচ্ছে সাংবাদিক নামের এসব অপসাংবাদিকরা।
এরা যতই মুখোশ লাগিয়ে আসল চেহারা আড়ালের চেষ্টা করুক না কেনো,একদিন এদের এই মুখোশ হ্যাঁচকা টান দিয়ে খুলে ফেলবে জনতা।
-এই দেশেরই কোন ‘উৎসাহী জনতা’।

কার্টেসি : ভাইছু Rashed Khan

 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1178 বার
 
 
 
 
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও তারেক রহমান
 
 
 
 

সব মেনু এক সাথে

 
 

পূর্বের সংবাদ

 
 

অনন্য অনলাইন পত্রিকা

 
 
 

 
Plugin by:aAM
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com