আগামী নির্বাচনেও বিএনপি না আসলে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে

মার্চ ১২, ২০১৮ ১২:১৫ অপরাহ্ণ

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বিএনপি গত নির্বাচন করেনি। আজকে তারা উপলব্ধি করেছে, নির্বাচন না করাটা তাদের ভুল ছিল। আগামী নির্বাচনেও যদি বিএনপি না আসে তা হলে তারা আবারও ভুল করবে। তখন বিএনপি অস্তিত্বের সংকটে পড়বে।

আগামী নির্বাচনে সকল দল অংশ গ্রহণ করবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচন হবে অবাধ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য।

আজ সোমবার দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের বন্ধুজন হাইস্কুল মাঠে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলে।

সকল ভোটারকে ভোট কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে আসতে কোনো সন্ত্রাসী বাঁধা দিতে পারবে না। ভোট কেন্দ্রে কোনো সন্ত্রাসী খুঁজে পাওয়া যাবে না।

তিনি আরো বলেন, এই বছরের শেষে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকবে। নির্বাচন কমিশন সকলের কাছে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে জ্বালাও পোড়াও করেছে। নারীদের ওপর পাশবিক নির্যাতন করেছে। মায়ের সামনে মেয়েকে নির্যাতন করেছে। লালমোহনে মহিলারা পানিতে নেমে আত্মরক্ষা করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বিএনপির পাষণ্ডরা পানি থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করেছে। কিন্তু আমরাতো সেই প্রতিশোধ নেইনি।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি আমলে তারা আমাকে পর্যন্ত মিথ্যা খুনের মামলায় আসামি করেছে। আমার মত একজন মুক্তিযোদ্ধার হাতে হাতকড়া পরিয়েছে আর স্বাধীনতাবিরোধী মুজাহিদীর গাড়িতে পতাকা তুলে দিয়েছে।

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে বলেন, ভোলার গ্রামে আর কোনো কাঁচা রাস্তা থাকবে না। প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হবে।

চরসামাইয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মমিন টুলু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো: মোশারেফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আবদুল কালাম, এনামুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, সাবেক চেয়ারম্যান কালিমুল্লাহ, সদর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, চরসামাইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: মহিউদ্দিন মাতাব্বর প্রমুখ।

এর আগে সকাল ১০টায় বাণিজ্যমন্ত্রী ভোলা এলজিইডি’র আরইআর এমপি- টু র্শীষক প্রকল্পের আওয়তায় সদর উপজেলার ১৩ ইউনিয়নের ১৩০ জন এলসিএস নারীর সঞ্চয়কৃত ৪৭ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করেন।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ইতিপূর্বে কোনো সরকারই দারিদ্র বিমোচনে কাজ করেনি। ২০০৯ সালে আমরা সরকার গঠন করার পর দারিদ্রের সংখ্যা ছিলো ৫৩ শতাংশ। সেটা কমে এখন হয়েছে ২২ শতাংশ এবং অতি দারিদ্রের সংখ্যা ছিলো অনেক বেশি। সেটা কমে এখন হয়েছে ১১ শতাংশ। ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি (সাসটেইনএ্যাবল ডেভেলপম্যান্ট গোল) এর লক্ষে যদি আমরা পৌছি তা হলে আমাদের দরিদ্রসীমা ৩ শতাংশের নিচে নেমে আসবে। আর দারিদ্রসীমা ৩ শতাংশের নিচে নেমে আসা মানে হলো দেশে দরিদ্র নাই। দারিদ্র বিমোচনের জন্য আমরা অনেক কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।

ভোলা এলজিইডির চত্বরে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ভোলা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মমিন টুলু, এলজিইডি বরিশাল অঞ্চলের প্রধান আফম মনিবুর রহমান প্রমুখ।

 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1093 বার
 
 
 
 
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও তারেক রহমান
 
 
 
 

সব মেনু এক সাথে

 
 

পূর্বের সংবাদ

 
 

অনন্য অনলাইন পত্রিকা

 
 
 

 
Plugin by:aAM
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com